সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৩%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

দেশি ফলের বিক্রি বেশি, দাম কমেছে আমদানিকৃত ফলের

মৌসুমী ফলের চাহিদা ও সরবরাহ বেশি থাকায় দাম ও বিক্রি কমছে আমদানিকৃত ফলের। এলাকাভেদে এসব ফলের দাম কমেছে কেজিপ্রতি প্রায় ২০ থেকে ৩০ টাকা।

মৌসুমী ফলের চাহিদা ও সরবরাহ বেশি থাকায় দাম ও বিক্রি কমছে আমদানিকৃত ফলের। এলাকাভেদে এসব ফলের দাম কমেছে কেজিপ্রতি প্রায় ২০ থেকে ৩০ টাকা।

শুক্রবার (২০ জুন) রাজধানীর রামপুরা, বনশ্রী, খিলগাঁও ও শান্তিনগর এলাকার বাজার ঘুরে এমন চিত্র পাওয়া যায়। এসব বাজারে দেশীয় ফলের সরবরাহ বেশি দেখা যায়।

প্রতি কেজি গালা আপেল বিক্রি হচ্ছে ২৯০ টাকা থেকে ৩০০ টাকায়। আগে এটি বিক্রি হতো ৩২০ টাকা কেজিতে। সবুজ আপেল বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৩০০ টাকা দরে, যেটি আগে বিক্রি হতো ৩৩০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজিতে। নাশপাতি প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩২০ টাকায়। আগে কেজিপ্রতি বিক্রি হতো ৩৫০ টাকায়। মালটা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ৩০০ টাকায়, যেটি আগে বিক্রি হতো ৩০০ থেকে ৩২০ টাকায়।

তবে দাম কমেনি লাল আঙুরের। বাজারে প্রতি কেজি লাল আঙুর বিক্রি হচ্ছে ৫৫০ টাকা থেকে ৬০০ টাকা কেজিতে।

খিলগাঁওয়ের ফল বিক্রেতা বিল্লাল মিয়া জাগো নিউজকে বলেন, মৌসুমী ফলের সরবরাহ বেশি থাকায় মানুষ এখন আমদানি হওয়া ফল কম কিনছে। আপেল, আঙুর, মালটাসহ বিদেশি ফলের দাম কিছুটা কমলেও বিক্রি আগের মতো হচ্ছে না।

তিনি জানান, বাজারে এখন আম, লিচু, জাম ও কাঁঠালের বিক্রি বেশি। এসব ফলের দামও স্বাভাবিক। তবে আর কিছুদিন পর আমের দাম বাড়বে।

শান্তিনগরের ফল বিক্রিতা আবুল কালাম জাগো নিউজকে বলেন, প্রতিবছর এই সময়ে বিদেশি ফলের দাম কিছুটা কমে যায়, বিক্রিও কমে যায়। আমরা এই সময়ে বিদেশি ফলের বিপরীতে দেশীয় ফলের সরবরাহ বেশি রাখি। মৌসুমী ফল তো সব সময় পাওয়া যায় না।

এমডিএইচআর/এএমএ/এএসএম

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি চারটি তাজা আপেলের একটি যায় বিদেশে, রপ্তানি আয় রেকর্ড

২০২৫/২৬ বিপণন বছরে যুক্তরাষ্ট্র ১৮৭ কোটি পাউন্ড তাজা আপেল রপ্তানি করেছে, যা মোট তাজা উৎপাদনের প্রায় ২৬ শতাংশ। রপ্তানি আয় রেকর্ড ১১৬ কোটি ডলারে পৌঁছেছে; বড় ক্রেতা মেক্সিকো ও কানাডা।

ers_usda১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

রাজবাড়ীর বাজিতপুরে দুই একরে চার হাজার ড্রাগন গাছ, দিনে উঠছে ৫০ মণ ফল

রাজবাড়ী সদরের বসন্তপুর ইউনিয়নের বাজিতপুরে জেলার সবচেয়ে বড় ড্রাগন বাগানে গাছপ্রতি ১০-১২ কেজি ফল ধরেছে; ভরা মৌসুমে দিনে প্রায় দুই হাজার কেজি ফল উঠছে, পাইকারি দর কেজি ১৫০ টাকা।

ঢাকা মেইল১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

আপেলগাছের গোড়ায় লালচে গুঁড়া? সতর্ক করছে বিরল কাণ্ড ছিদ্রকারী পোকা

কানাডার ম্যানিটোবার কৃষি বিভাগ ফলচাষিদের রাউন্ডহেডেড অ্যাপল ট্রি বোরার নিয়ে সতর্ক থাকতে বলছে। এই লম্বা-শুঙ্গ গুবরে পোকার কীড়া জীবন্ত আপেল ও সাস্কাটুন গাছের ভেতরে তিন বছর পর্যন্ত সুড়ঙ্গ কাটে; কাণ্ডের গোড়ায় লালচে গুঁড়াই সবচেয়ে স্পষ্ট লক্ষণ।

Manitoba Co-operator১৫ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)