সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৩%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

আড়িয়ল বিলের পাঁচ দেশি মাছে মিলল মাইক্রোপ্লাস্টিক

কই, বাটা, মেনি, গুলশা টেংরা ও পুঁটিতে প্লাস্টিক কণা পাওয়া গেছে, শুধু পরিপাকতন্ত্রে নয়, মাংসপেশিতেও।

বাংলাদেশের বিভিন্ন নদী ও জলাশয়ের মাছে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি পাওয়া যাচ্ছে বলে সাম্প্রতিক কয়েকটি গবেষণায় দাবি করা হয়েছে। শুধু মাছের পাকস্থলী বা পরিপাকতন্ত্রেই নয়, মাছের মাংসপেশিতেও অতি ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা শনাক্ত হয়েছে।

মাইক্রোপ্লাস্টিক বলতে বোঝানো হয় প্লাস্টিকের এমন যে-কোনো কণা, যার প্রস্থ পাঁচ মিলিমিটারেরও কম। বড় প্লাস্টিক ভেঙে, সিনথেটিক কাপড়ের তন্তু, টায়ারের ক্ষয়, প্রসাধনী বা শিল্পবর্জ্য থেকে এসব কণা তৈরি হয়ে নদী, খাল, হ্রদ ও সাগরে পৌঁছায়, আর সেখান থেকে খাদ্য ও পানির মাধ্যমে মাছের শরীরে ঢোকে।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ ম্যানেজমেন্ট বিভাগের এক গবেষণায় উঠে এসেছে, আড়িয়ল বিলে পাঁচ ধরনের মাছে মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে, কই, বাটা, মেনি, গুলশা টেংরা ও পুঁটি, যেগুলো মূলত দেশি মাছ হিসেবে পরিচিত। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে সর্বভুক কই মাছে।

গবেষণা দলের প্রধান, ওই বিভাগের অধ্যাপক মো. শাহজাহান বলেছেন, মাছগুলোর মাংসপেশিতেও মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ মানুষ সাধারণত মাছের নাড়িভুঁড়ি নয়, মাংসপেশিই খায়।

মাছের অন্ত্র বা পাকস্থলীতে এমন কণা পাওয়া অবশ্য খুব অস্বাভাবিক নয়। মাছ খাবার ও পানির সঙ্গে এসব কণা গ্রহণ করে এবং তা পরিপাকতন্ত্রে জমা থাকতে পারে; মাছের খাবারের মধ্যে থাকে পানি, ছোট মাছ, প্ল্যাঙ্কটন, এমনকি কাদা-মাটিও।

ছোট না বড়, কোন মাছ বেশি ঝুঁকির, সেই প্রশ্নে অধ্যাপক শাহজাহান বলেন, "ছোট মাছ সাধারণত অন্ত্রসহ-ই খেয়ে ফেলে মানুষ। সেই যুক্তিতে ছোট মাছেই সবচেয়ে বেশি মাইক্রোপ্লাস্টিক থাকার কথা। তবে কোন মাছে এটা বেশি আছে তা নিশ্চিত করে বলা মুশকিল।"

তবে উপস্থিতি মানেই তাৎক্ষণিক স্বাস্থ্যঝুঁকি, এমন সিদ্ধান্তে গবেষকরা পৌঁছাননি। মানুষের শরীরে দীর্ঘমেয়াদে এর প্রভাব, কী পরিমাণ মাইক্রোপ্লাস্টিক ক্ষতিকর এবং কীভাবে ঝুঁকি তৈরি হয়, তা নিয়ে এখনও বিশ্বজুড়ে গবেষণা চলছে। মৎস্যচাষি ও আড়তদারের জন্য প্রশ্নটি তাই জলাশয়ের দূষণ নিয়ন্ত্রণেরই।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

বিবিসি বাংলাসূত্র

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

কেরালার উপকূলীয় নারীদের ৮৪টি মাছের ব্যবসা, পারিবারিক আয় বেড়েছে ৩০-৩৫ শতাংশ

আইসিএআর-সিএমএফআরআইয়ের এক কর্মসূচির সহায়তায় ২০২২ থেকে ২০২৬ সালে কেরালার আট জেলায় ৮৪টি মৎস্যভিত্তিক ক্ষুদ্র উদ্যোগ গড়ে উঠেছে; সরাসরি উপকৃত ৪৬৯ জন, যাঁদের বেশির ভাগ তফসিলি জাতিভুক্ত।

আইসিএআর১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মৎস্য

সৌরশক্তির রিসার্কুলেটিং ট্যাংকে পাহাড়ে ট্রাউট চাষ, পানি লাগবে ৮০ শতাংশ কম

ভারতের উত্তরাখণ্ডের এক খামারে সৌরশক্তিচালিত হাইব্রিড রিসার্কুলেটিং অ্যাকুয়াকালচার সিস্টেম চালু করেছে আইসিএআর-সিআইসিএফআর; প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এতে পানি প্রায় ৮০ শতাংশ কম লাগে এবং একজন ট্রাউটচাষি বছরে ৪ থেকে ৫ লাখ রুপি উদ্বৃত্ত পেতে পারেন।

আইসিএআর১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মৎস্য

আট পদের পাঁচটিই শূন্য, তিনজনে চলছে শায়েস্তাগঞ্জের সরকারি মৎস্য বীজ খামার

১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ সরকারি মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারে ১২টি পুকুরে পোনা উৎপাদন চললেও আট পদের পাঁচটি শূন্য, নৈশপ্রহরী নেই, বরাদ্দ না থাকায় চাষি প্রশিক্ষণও বন্ধ।

মানবজমিন১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)