সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৯°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৫৮%বাতাস ৬ কিমি/ঘ

আমদানি করা ফলের চড়া দামে পাত থেকে হারাচ্ছে পুষ্টি: ড. মতিউর রহমানের কলাম

গবেষক ও উন্নয়নকর্মী ড. মতিউর রহমান লিখেছেন, আমদানি করা ফল মধ্যবিত্তের কেনাকাটার তালিকা থেকে সরে যাচ্ছে; শুল্ক কাঠামো, বিনিময় হার আর পাইকারি-খুচরা দামের ব্যবধান মিলে পুষ্টিকর খাবার বিলাসপণ্য হয়ে উঠছে।

আমদানি করা ফলের চড়া দামে পাত থেকে হারাচ্ছে পুষ্টি: ড. মতিউর রহমানের কলাম
মতামত

আপেল, কমলা, আঙুর, মাল্টা, নাশপাতি ও ডালিম কয়েক বছর আগেও অনেক মধ্যবিত্ত পরিবারের নিয়মিত কেনাকাটার অংশ ছিল; এখন আমদানি করা ফল কেনা কালেভদ্রের ঘটনা হয়ে উঠছে। জাগো নিউজে প্রকাশিত কলামে গবেষক ও উন্নয়নকর্মী ড. মতিউর রহমান এই পরিবর্তনকে কেবল দামের নয়, পুষ্টির প্রশ্ন হিসেবে দেখেছেন। মতামত লেখকের নিজস্ব।

তিনি ২৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার বাজারের একটি জরিপের হিসাব দিয়েছেন: গালা ও ফুজি আপেল প্রতি কেজি ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকা, গোল্ডেন আপেল প্রায় ৪৫০ টাকা, কমলা ৩৫০ থেকে ৪৮০ টাকা, মাল্টা ৪২০ থেকে ৪৫০ টাকা, আঙুর ৪৩০ থেকে ৫৫০ টাকা আর ডালিম ৪০০ থেকে ৬৫০ টাকা। কোনো কোনো দোকানে একটি মাল্টার দামই প্রায় ১০০ টাকা।

একই দিনে বাদামতলী পাইকারি বাজারে লাল আপেল কেজিপ্রতি প্রায় ১৮০ টাকায় বিক্রি হলেও খুচরা বাজারে তা ২৮০ থেকে ৩২০ টাকা। লেখকের মতে, এই ব্যবধানের সবটাই অতিরিক্ত মুনাফা নয়; পরিবহন, সংরক্ষণ, পচনের ক্ষতি, ঋণপত্রের খরচ আর বিনিময় হারের ঝুঁকিও এতে যুক্ত। তবে ব্যবধান দীর্ঘস্থায়ী ও অস্বাভাবিক হলে তা নজরদারির দাবি রাখে।

শুল্কের দিকটিও বড়। লেখক জানান, বর্তমান শুল্ক তালিকায় অনেক তাজা ফলে ২৫ শতাংশ কাস্টমস ডিউটি, অন্যান্য কর যোগ হয়ে কিছু ফলে মোট করের বোঝা ১০০ শতাংশ ছাড়িয়ে যায়। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী জুলাইয়ে ২৩,৭১৭ টন আর আগস্টে ৪১,১৮৬ টন ফল আমদানি হয়েছে; সরবরাহ বাড়লেও খুচরা দাম সে অনুপাতে কমেনি।

ডেঙ্গুর মৌসুমে রোগীর পরিবারগুলো ফল কিনতে গিয়ে বাড়তি চাপে পড়েছে, লিখেছেন তিনি। তাঁর প্রস্তাব: আপেল, কমলা, মাল্টা, নাশপাতি ও আঙুরের মতো বহুল ব্যবহৃত ফলে শুল্ক পুনর্বিবেচনা, অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির সময় সাময়িক ছাড়, আমদানির পরিমাণ এবং পাইকারি ও খুচরা দামের নিয়মিত প্রকাশ, উন্নত কোল্ড চেইন ও পরিবহন।

দেশি ফলের কথাও এসেছে কলামে। আম, কলা, পেয়ারা, পেঁপে, আনারস ও তরমুজ দেশেই হয়; উন্নত জাত, ফসল তোলার পরের ব্যবস্থাপনা, হিমাগার, গ্রেডিং ও প্যাকেজিং নিশ্চিত হলে সারা বছর দেশি ফল সহজলভ্য করা যায়, তাতে কৃষকের আয়ও বাড়ে বলে মনে করেন লেখক। লেখাটি তিনি শেষ করেছেন এই বলে যে খাদ্যনীতির আসল পরীক্ষা রাজস্ব নয়, পরিবারগুলো বৈচিত্র্যময় পুষ্টিকর খাবার জোগাতে পারছে কি না।

ছবি: Yahya / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0); ঢাকার একটি ফলের দোকান

সূত্র: জাগো নিউজ ২৪

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

মতামত

সম্পর্কিত খবর

মতামত

মতামত: চীনা বালাইনাশক কোম্পানি মার্কিন কৃষকের দোরগোড়ায়, বিক্রেতারা কী করবেন

ক্রপলাইফে লেখা এক কলামে হুয়া চেং ও ডেভিড লি বলছেন, চীনা ফসল সুরক্ষা কোম্পানিগুলো মার্কিন কৃষকের কাছে পৌঁছানোর নতুন পথ পাচ্ছে, তবে স্থানীয় বিক্রেতাদের এমন কিছু শক্তি আছে যা কনটেইনারে করে পাঠানো যায় না।

ক্রপলাইফ১৫ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মতামত

শীতে শিশুর রোটাভাইরাস ঝুঁকি, টিকা আছে, তবু সরকারি কর্মসূচিতে নেই: ফারিয়া এজাজের কলাম

আজকের পত্রিকায় ফারিয়া এজাজ লিখেছেন, আইসিডিডিআরবির হিসাবে দেশে বছরে আড়াই থেকে ৩ হাজার শিশু রোটাভাইরাসে মারা যায়; ১৩২টি দেশ টিকাটি জাতীয় কর্মসূচিতে নিলেও বাংলাদেশে এক ডোজের দাম ২,৯৯৩ টাকা, সরকারিভাবে দেওয়া হয় না।

আজকের পত্রিকা১৪ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মতামত

নিঃসরণ ০.০৫ শতাংশ, ক্ষতি পাহাড়সম: নেপালের শিক্ষায় অনুদানভিত্তিক জলবায়ু অর্থায়ন চান রাকিব হোসেন

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির পিএইচডি গবেষক রাকিব হোসেন লিখেছেন, বিশ্বের কার্বন নিঃসরণে মাত্র ০.০৫ শতাংশ অবদানের নেপাল যেমন বারবার দুর্যোগের দাম দিচ্ছে, বাংলাদেশও তেমনি; তাই ঋণ নয়, অনুদানভিত্তিক জলবায়ু অর্থায়ন দরকার।

ঢাকা পোস্ট১৪ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)