কৃষি খাতের চাহিদা মেটাতে মোট ৭০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার কিনবে সরকার। এর মধ্যে ৩০ হাজার টন আসবে কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো) থেকে, বাকি ৪০ হাজার টন সৌদি আরবের সাবিক অ্যাগ্রি-নিউট্রিয়েন্টস কোম্পানি থেকে। দুই চালানে মোট ব্যয় হবে ৩৬৪ কোটি ৫৪ লাখ ৭৯ হাজার ১৭৫ টাকা।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ-সংক্রান্ত দুটি প্রস্তাব অনুমোদন পায়। শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবে সার কেনার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি), আর দুই প্রস্তাবের ব্যয় মেটানো হবে কৃষি ভর্তুকির বাজেট থেকে।
কাফকো থেকে কেনা হবে চতুর্থ লটের ৩০ হাজার টন ব্যাগড গ্র্যানুলার ইউরিয়া। চুক্তিতে নির্ধারিত পদ্ধতিতে দাম পর্যালোচনার পর প্রতি টনের দাম ঠিক হয়েছে ৪০৮ দশমিক ৩৭৫ মার্কিন ডলার। এতে মোট ব্যয় এক কোটি ২২ লাখ ৫১ হাজার ২৫০ ডলার, বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৫১ কোটি ৩০ লাখ ২৯ হাজার ৩৭৫ টাকা।
সাবিক থেকে অষ্টম লটে আসবে ৪০ হাজার টন বাল্ক গ্র্যানুলার ইউরিয়া, প্রতি টন ৪৩১ দশমিক ৬৭ ডলারে। এ চালানে ব্যয় এক কোটি ৭২ লাখ ৬৬ হাজার ৮০০ ডলার, অর্থাৎ ২১৩ কোটি ২৪ লাখ ৪৯ হাজার ৮০০ টাকা। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী এই চালানে বাড়তি ১০ শতাংশ সার আমদানির সুযোগও রাখা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে দেশে ইউরিয়ার চাহিদা ধরা হয়েছে ৩০ লাখ মেট্রিক টন। এর মধ্যে কাফকো থেকে কেনার লক্ষ্য পাঁচ লাখ ৫০ হাজার টন, যার জন্য বিসিআইসি সংশোধিত চুক্তি করেছে; প্রতি লটে কেনা হয় ৩০ হাজার টন।
সাবিকের সঙ্গে ২০০৭ সাল থেকে সরকার-টু-সরকার (জিটুজি) চুক্তিতে ইউরিয়া আমদানি হচ্ছে। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে মোট তিন লাখ ২০ হাজার টন আমদানির চুক্তি হয়েছে, আর আন্তর্জাতিক বাজারদরের ভিত্তিতে চুক্তির মূল্য নিরূপণ পদ্ধতিতে অষ্টম লটের দাম ঠিক করা হয়েছে।
প্রতিবেদনটি জাগো নিউজের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদকের পাঠানো খবর অবলম্বনে লেখা।
ছবি: Mar11 / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0); ইউরিয়া সার কারখানা, প্রতীকী ছবি
সূত্র: জাগো নিউজ ২৪





মন্তব্য
(০)