সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৩%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

কোরবানির পশুর হাটে নিরাপত্তা ও জাল টাকা প্রতিরোধে সরকারের ব্যবস্থা জানালেন মন্ত্রী

২০২৬ সালের ২৪ মে রাজধানীর দিয়াবাড়ী পশুর হাট পরিদর্শন শেষে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানান, হাটে জাল টাকা শনাক্তের মেশিন বসানো হয়েছে, ব্যাংকিং সেবা রাখা হয়েছে এবং ঈদ পর্যন্ত ব্যবসায়ী, খামারি ও ক্রেতাদের নিরাপত্তায় প্রয়োজনীয় জনবল মোতায়েন থাকবে।

কোরবানির পশুর হাটে নিরাপত্তা ও জাল টাকা প্রতিরোধে সরকারের ব্যবস্থা জানালেন মন্ত্রী
লাইভস্টক

কোরবানির পশুর হাটে সার্বিক নিরাপত্তা ও জাল টাকা ঠেকাতে সরকার সর্বাত্মক ব্যবস্থা নিয়েছে বলে জানিয়েছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। ২০২৬ সালের ২৪ মে, রোববার সকালে রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়ীতে কোরবানির পশুর হাট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে তিনি এ কথা বলেন। তখন ২৮ মে ঈদুল আজহা উদ্‌যাপিত হওয়ার কথা ছিল। মন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন পশুর হাটে ব্যবসায়ী, খামারি ও ক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) বিজ্ঞপ্তির বরাতে রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা বাসসও খবরটি প্রকাশ করে।

মন্ত্রী বলেন, জাল টাকা শনাক্তে হাটে বিশেষ মেশিন স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি হাট এলাকায় ব্যাংকিং সেবা রাখা হয়েছে, যেন বিক্রেতারা নিরাপদে অর্থ জমা দিতে পারেন এবং প্রয়োজনে নতুন হিসাব খুলেও অর্থ সংরক্ষণ করতে পারেন। তিনি জানান, রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন পশুর হাটে শৃঙ্খলা, নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু বেচাকেনা নিশ্চিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় জনবল মোতায়েন করেছে এবং ঈদ পর্যন্ত এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। এ সময় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান, অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. মো. বয়জার রহমান, প্রকল্প পরিচালক ডা. মো. আবদুর রহিম, ডা. মো. সফিকুর রহমানসহ মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

দিয়াবাড়ী হাটে মন্ত্রী যা বললেন


সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, দেশে কোরবানিযোগ্য গবাদিপশুর পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে এবং এ বছর দেশীয়ভাবে উৎপাদিত পশু দিয়েই কোরবানির পুরো চাহিদা পূরণ সম্ভব হবে। দেশের কৃষক ও খামারিরা যে পরিমাণ গরু, ছাগল ও মহিষ উৎপাদন করেছেন, তা কোরবানির চাহিদা পূরণের জন্য যথেষ্ট বলে তিনি উল্লেখ করেন।

হাটে চোর-ডাকাতের উপদ্রব ও পশু হারিয়ে যাওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বড় হাটগুলোতে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্বেচ্ছাসেবক দল সার্বক্ষণিক কাজ করছে। হারিয়ে যাওয়া পশু খুঁজে বের করতে মাইকিং, তদারকি এবং তাৎক্ষণিক সহায়তার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই হারানো পশু দ্রুত উদ্ধার করে মালিকের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে বলে তিনি জানান।

ভারত থেকে বা সীমান্তপথে আসা গবাদিপশুর বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, সীমান্তে অবৈধ পশু প্রবেশ রোধে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। কোরবানির আগেই আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে সীমান্তরক্ষী বাহিনী, স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

কোরবানির পশুর দাম নিয়ে মন্ত্রী বলেন, দেশে এখনো মূলত পশুর গঠন, স্বাস্থ্য, আকৃতি ও বাহ্যিক মান দেখে দরদামের মাধ্যমে কেনাবেচা হয়। ফলে একই ধরনের পশুর দাম ভিন্ন হতে পারে। ধীরে ধীরে ওজনভিত্তিক বা 'লাইভ ওয়েট' পদ্ধতিতে পশু বিক্রির সংস্কৃতি গড়ে উঠলে দাম নির্ধারণ আরও স্বচ্ছ ও নির্দিষ্ট হবে। তিনি আরও বলেন, হাটে হাজারো বিক্রেতা ও ক্রেতার উপস্থিতির কারণে কোনো ধরনের কৃত্রিম সিন্ডিকেট তৈরি করা কঠিন; বাজারের প্রতিযোগিতা আর চাহিদা ও সরবরাহের ভিত্তিতেই পশুর দাম ঠিক হয়।

বাংলাদেশের একটি কোরবানির পশুর হাটে বিক্রির জন্য আনা পশু, ২০১১ সাল। ছবি: Faizul Latif Chowdhury / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
বাংলাদেশের একটি কোরবানির পশুর হাটে বিক্রির জন্য আনা পশু, ২০১১ সাল। ছবি: Faizul Latif Chowdhury / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)

নোট যাচাইয়ে ব্যাংকের বুথ: বাংলাদেশ ব্যাংকের ১০ মের নির্দেশনা


মন্ত্রী যে জাল নোট শনাক্তের ব্যবস্থার কথা বলেন, তার ভিত্তি ছিল ২০২৬ সালের ১০ মে বাংলাদেশ ব্যাংকের জারি করা একটি সার্কুলার। বাসস সেদিন জানায়, বছরের সবচেয়ে ব্যস্ত বেচাকেনার মৌসুমে জাল নোটের প্রচলন ঠেকাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সব তফসিলি ব্যাংককে দেশজুড়ে অনুমোদিত কোরবানির পশুর হাটে জাল নোট যাচাইয়ের বুথ স্থাপনের নির্দেশ দেয়।

বাসস ও দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিবেদন অনুযায়ী সার্কুলারের মূল নির্দেশনাগুলো ছিল এমন:

  • হাট চালুর দিন থেকে ঈদুল আজহার আগের রাত পর্যন্ত বুথগুলো বিরতিহীনভাবে চালু রাখতে হবে।
  • ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের জন্য নোট যাচাই ও টাকা গণনার সেবা দিতে হবে বিনা মাশুলে।
  • প্রতিটি বুথে আধুনিক নোট গণনা ও জাল নোট শনাক্তকরণ মেশিন থাকবে এবং জাল নোট চিনতে সক্ষম অভিজ্ঞ ক্যাশ কর্মকর্তা দায়িত্বে থাকবেন।
  • প্রতিটি বুথে 'জাল নোট যাচাই বুথ' লেখা ব্যানার স্পষ্টভাবে টাঙাতে হবে।
  • প্রতিটি তফসিলি ব্যাংককে উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তাকে সমন্বয়ক নিয়োগ করতে হবে।
  • যেসব জেলায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শাখা নেই, সেখানে সোনালী ব্যাংক পিএলসি তার চেস্ট শাখার মাধ্যমে অন্য তফসিলি ব্যাংকগুলোকে সঙ্গে নিয়ে কাজটির নেতৃত্ব দেবে।
  • সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে এবং নিরাপত্তার জন্য পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি ও আনসারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় রাখতে হবে।
  • ঈদের আগে ব্যাংকিং সময়ে সব শাখার মনিটরে আসল নোটের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য দেখানো ভিডিও প্রদর্শন করতে হবে।
  • ঈদের পর ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে বুথের কার্যক্রম ও ফলাফলের বিস্তারিত প্রতিবেদন বাংলাদেশ ব্যাংকের কারেন্সি ম্যানেজমেন্ট বিভাগে পাঠাতে হবে।

সার্কুলারে রাজধানীর প্রধান হাটগুলোর জন্য ব্যাংকও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। গাবতলী স্থায়ী পশুর হাটের দায়িত্ব পায় ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি ও সীমান্ত ব্যাংক পিএলসি; আর মন্ত্রী যেখানে কথা বলেন, উত্তরা দিয়াবাড়ীর সেক্টর ১৬ ও ১৮ এলাকার হাটের দায়িত্ব পায় ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি ও বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক। মেরুল বাড্ডা কাঁচাবাজার এলাকায় ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি, ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এলাকায় আইএফআইসি ব্যাংক পিএলসি ও মেঘনা ব্যাংক পিএলসি, শ্যামপুর-কদমতলী ট্রাকস্ট্যান্ডে যমুনা ব্যাংক পিএলসি এবং গোলাপবাগ স্টাফ কোয়ার্টার এলাকায় মার্কেন্টাইল ব্যাংক পিএলসিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। সংবাদ সংস্থা ইউএনবি জানায়, প্রতিটি ব্যাংককে ১৭ মের মধ্যে তাদের ফোকাল কর্মকর্তার নাম ও যোগাযোগের তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠাতে বলা হয়েছিল, আর ঢাকা দক্ষিণে ১৯টি ব্যাংককে ১৩টি নির্ধারিত হাটে বুথ চালানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়।

জাল নোট ধরা পড়লে কী হয়: নিয়ম ও আইন


বুথে জাল নোট পাওয়া গেলে বিদ্যমান জাল নোট ব্যবস্থাপনার নিয়ম কঠোরভাবে মানতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ১০ মের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই নিয়মে সন্দেহজনক জাল নোট সঙ্গে সঙ্গে জব্দ করা হয় এবং নোটটি যিনি দিয়েছেন তাঁর স্থানীয় ও স্থায়ী ঠিকানাসহ পূর্ণ পরিচয় লিখে রাখা হয়। নোটটি কোথা থেকে এসেছে, সে বিষয়ে তাঁর বক্তব্য নেওয়া হয় এবং জব্দ করা নোটের উল্টো পিঠে তাঁর সই বা টিপসই নেওয়া হয়। এরপর নোটটির ওপর লাল কালিতে 'জাল' লিখে দেওয়া হয়। ব্যাংক কর্মকর্তাদের যদি সন্দেহ হয় যে নোটটি জেনেশুনে অসৎ উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়েছে, তবে বিষয়টি তদন্তের জন্য পুলিশে পাঠানো হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে জাল নোটের অপরাধে শাস্তির জন্য দুটি আইনের উল্লেখ রয়েছে: বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এবং দণ্ডবিধি, ১৮৬০। দণ্ডবিধির ৪৮৯ক ধারা অনুযায়ী, কেউ কারেন্সি নোট বা ব্যাংক নোট জাল করলে কিংবা জেনেশুনে জাল করার প্রক্রিয়ার কোনো অংশে যুক্ত থাকলে তাঁর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে, সঙ্গে অর্থদণ্ডও। ৪৮৯খ ধারায় জাল জেনে বা জাল বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও এমন নোট বিক্রি, কেনা, গ্রহণ বা আসল হিসেবে ব্যবহারের জন্য একই শাস্তির বিধান আছে। ৪৮৯গ ধারায় আসল হিসেবে চালানোর উদ্দেশ্যে জাল নোট নিজের কাছে রাখাও অপরাধ, যার শাস্তি সর্বোচ্চ সাত বছর কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড।

সাধারণ মানুষের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিজস্ব পরামর্শ পাওয়া যায় ২০২৫ সালের অক্টোবরে জারি করা এক জনসতর্কতামূলক বিজ্ঞপ্তিতে, যখন জাল নোট নিয়ে নানা খবর ছড়াচ্ছিল। সেখানে অযথা আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে চারটি পরামর্শ দেওয়া হয়:

  • নোট নেওয়ার সময় জলছাপ, উঁচু-নিচু (ইন্টাগ্লিও) ছাপা, নিরাপত্তা সুতা, রং বদলানো কালি ও অতি ক্ষুদ্র লেখার মতো নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য ভালোভাবে যাচাই করুন।
  • বড় অঙ্কের লেনদেন আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং চ্যানেলে করুন।
  • যতটা সম্ভব নগদ টাকার বদলে ডিজিটাল মাধ্যমে লেনদেন করুন।
  • কোনো সন্দেহজনক নোট পেলে বা এ বিষয়ে তথ্য থাকলে নিকটস্থ থানায় যোগাযোগ করুন অথবা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করুন।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, আসল নোটের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যের বিস্তারিত তথ্য তাদের ওয়েবসাইট www.bb.org.bd-তে আছে, আর আসল নোট চেনার উপায় দেখানো পোস্টার ও ব্যানার দেশের প্রতিটি ব্যাংক শাখায় টাঙানো রয়েছে।

বাংলাদেশি টাকার নমুনা নোট, ২০২৩ সালে তোলা ছবি। ছবি: Mhk777 / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
বাংলাদেশি টাকার নমুনা নোট, ২০২৩ সালে তোলা ছবি। ছবি: Mhk777 / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

হাটের নিরাপত্তায় পুলিশের পরিকল্পনা


২২ মে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) বাসসকে জানায়, রাজধানীর পশুর হাটের জন্য তারা একটি সমন্বিত নিরাপত্তা পরিকল্পনা নিয়েছে। ডিএমপির মুখপাত্র ও উপ-পুলিশ কমিশনার এন এম নাসিরউদ্দিন বলেন, সব হাট ও আশপাশে পর্যাপ্ত ইউনিফর্মধারী ও সাদা পোশাকের পুলিশ থাকবে, গাড়ি ও মোটরসাইকেলের টহল দল সার্বক্ষণিক নজরদারি চালাবে, সব হাট সিসিটিভির আওতায় আনা হবে এবং পুলিশ ক্যাম্প ও ওয়াচ টাওয়ার বসানো হবে। শহরে ঢোকা ও বের হওয়ার প্রধান সড়কগুলোর চেকপোস্ট আরও জোরদার করে ২৪ ঘণ্টা চালু রাখা হবে।

তিনি বলেন, ঈদুল আজহার কেনাবেচায় প্রায়ই জাল নোটের ব্যবহার বেড়ে যায় বলে ডিএমপির পক্ষ থেকে হাটগুলোতে ১৫০টি জাল নোট শনাক্তকরণ মেশিন সরবরাহ করা হবে, আর সিটি করপোরেশন, ইজারাদার ও ব্যাংকগুলোকে অতিরিক্ত মেশিনের ব্যবস্থা করতে অনুরোধ করা হয়েছে। জাল নোট চক্রের বিরুদ্ধে ১ মে থেকে বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে এবং রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় জাল নোট ও তা তৈরির সরঞ্জামসহ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আগের বছরের মতো বড় অঙ্কের টাকা নিরাপদে বহনে 'মানি এসকর্ট' সেবা দেওয়ার পরিকল্পনাও ছিল ডিএমপির। মুখপাত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, ১ মে থেকে চলা অভিযানে ছিনতাইকারী, মাদক ব্যবসায়ী ও চাঁদাবাজসহ ১ হাজার ৯০০-এর বেশি জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

জাতীয় পর্যায়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ৬ মে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের একটি অধিবেশন শেষে বলেন, সড়কে বা রেললাইনের পাশে কোনো পশুর হাট বসতে দেওয়া হবে না এবং বড় হাটগুলোতে পুলিশ বডি-ওয়ার্ন ক্যামেরা ও জাল টাকা শনাক্তের যন্ত্র ব্যবহার করবে, জানায় দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। ২৩ মে বাসসের এক প্রতিবেদনে তিনি জানান, পুলিশ সদর দপ্তরে একটি বিশেষ মনিটরিং সেল চালু হয়েছে, যা ঈদের আগে সাত দিন ও পরে সাত দিন কার্যকর থাকবে, এবং পশুর হাটে নিরাপত্তা, জাল টাকা প্রতিরোধ ও অনলাইন প্রতারণা ঠেকাতে বিশেষ নজরদারি থাকবে। পুলিশ সদর দপ্তর জানায়, পশু পরিবহনে চাঁদাবাজির অভিযোগ তাৎক্ষণিকভাবে নিতে একটি বিশেষ হটলাইন চালু করা হয়েছে।

কোরবানির পশু কত: প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের হিসাব


দিয়াবাড়ীতে মন্ত্রীর আশ্বাসের পেছনে ছিল ৩ মে মন্ত্রণালয়ের এক ব্রিফিংয়ে দেওয়া হিসাব। দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড বাংলার প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের হিসাবে সে বছর কোরবানির পশুর সম্ভাব্য চাহিদা ছিল ১ কোটি ১ লাখ ৬ হাজার ৩৩৪টি, আর প্রাপ্যতা ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮৪০টি; ফলে প্রায় ২২ লাখ ২৭ হাজার ৫০৬টি পশু উদ্বৃত্ত থাকার কথা। কোরবানিযোগ্য পশুর মধ্যে ছিল ৫৬ লাখ ৯৫ হাজার ৮৭৮টি গরু-মহিষ, ৬৬ লাখ ৩২ হাজার ৩০৭টি ছাগল-ভেড়া এবং ৫ হাজার ৬৫৫টি অন্যান্য প্রজাতির প্রাণী।

একই ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী জানান, সারা দেশে ৩ হাজার ৬০০টির বেশি পশুর হাট বসবে। এর মধ্যে ঢাকায় উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৬টি ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১১টি মিলিয়ে ২৭টি হাট, যেখানে ২০টি ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবে। বাসস জানায়, অনলাইনে পশু কিনলে ক্রেতাকে খাজনা বা হাসিল দিতে হবে না; হাসিল কেবল হাট থেকে সরাসরি কেনার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।

আগের বছরের হিসাবও ছিল কাছাকাছি। দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড জানায়, ২০২৫ সালের ৪ মে তৎকালীন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা বলেছিলেন, কোরবানির জন্য প্রস্তুত ১ কোটি ২৪ লাখ ৪৭ হাজার ৩৩৭টি পশু, যার মধ্যে ৫৬ লাখ ২ হাজার ৯০৫টি গরু-মহিষ ও ৬৮ লাখ ৩৮ হাজার ৯২০টি ছাগল-ভেড়া; উদ্বৃত্ত ধরা হয়েছিল প্রায় ২০ লাখ ৬৮ হাজার ১৩৫টি। সে বছর রাজধানীর ১৯টি হাটে ২০টি মেডিকেল টিম ও দুটি বিশেষজ্ঞ দল রাখা হয়। প্রথম আলোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে মন্ত্রণালয় চাহিদা ধরেছিল ১ কোটি ৩ লাখ ৯৪ হাজার ৭৩৯টি, বিপরীতে পশু ছিল ১ কোটি ২৫ লাখ ৩৬ হাজার ৩৩৩টি।

কোরবানির পশু আসে দেশের অনেক বড় একটি পশুসম্পদ থেকে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান সংকলন 'লাইভস্টক ইকোনমি অ্যাট আ গ্লান্স' অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে দেশে গরু ছিল ২৫০.১৩ লাখ, মহিষ ১৫.২৪ লাখ, ছাগল ২৭১.১৭ লাখ ও ভেড়া ৩৯.০৩ লাখ; আর সে বছর মাংস উৎপাদন হয় ৯২.২৫ লাখ মেট্রিক টন।

সীমান্ত, পরিবহন ও পশুর স্বাস্থ্য


সীমান্তপথে পশু আসা ঠেকানোর সিদ্ধান্ত হয়েছিল ঈদের মৌসুম শুরুর আগেই। বাসস জানায়, ৩ মে মন্ত্রী বলেন, আগের বছরের মতো এবারও ঈদে বিদেশ থেকে কোনো পশু আমদানি করা হবে না এবং সে কারণে সীমান্ত এলাকার হাটের ইজারা স্থগিত রাখা হয়েছে। দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড বাংলার প্রতিবেদনে তাঁর বক্তব্য ছিল, অতীতে সীমান্তঘেঁষা কিছু হাট দিয়ে বিদেশি পশু ঢোকায় দেশীয় খামারিরা ক্ষতির মুখে পড়েছেন, তাই সীমান্ত এলাকায় হাট না বসানোর নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস ৪ মে জানায়, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় আয়োজিত আন্তঃমন্ত্রণালয় প্রস্তুতি সভায় নির্বিঘ্নে পশু পরিবহনের জন্য বিজিবি ও পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, জেলা প্রশাসন ও প্রাণিসম্পদ দপ্তরকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়। সড়ক, রেল ও নৌপথে পশুবাহী ট্রাকে ডাকাতি ঠেকানো ও ব্যবসায়ীদের সুরক্ষার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছিল; পরিবহনে গন্তব্য হাটের ব্যানার রাখার কথা বলা হয় এবং বিশেষ 'ক্যাটল ট্রেন' আবার চালুর বিষয়টি আলোচনায় আসে। ১৪ মে সাভারে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটে (বিএলআরআই) মন্ত্রী বলেন, সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে পশু প্রবেশ ঠেকাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং সীমান্ত এলাকার মানুষকে চোরাচালানের বিরুদ্ধে সতর্ক করা হয়েছে, জানায় ঢাকা ট্রিবিউন।

পশুর স্বাস্থ্য দেখার দায়িত্ব ছিল প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের। ওই সভায় সিদ্ধান্ত হয়, সব নির্ধারিত হাটে ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম থাকবে; সিটি করপোরেশন ও পৌরসভাকে ভেটেরিনারি ক্যাম্পের জন্য জায়গা দিতে বলা হয়, আর হাটের ইজারাদারদের অ্যাপ্রন, মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, চেয়ার, টেবিল ও বালতির মতো জিনিস সরবরাহ করতে বলা হয়। বাসস জানায়, ৩ মে মন্ত্রী বলেন, গরু মোটাতাজা করার ইনজেকশন বা যেকোনো স্টেরয়েড আমদানি প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ রেখেছে এবং অধিদপ্তর সারা দেশে অভিযান চালিয়ে এমন অবৈধ ওষুধ ধ্বংস করবে; অসুস্থ পশুর জরুরি চিকিৎসায় প্রতিটি হাটে অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে বিশেষজ্ঞ ভেটেরিনারি দল থাকবে। দৈনিক ইত্তেফাক ২০ মে জানায়, বড় হাটগুলোতে পশু পরীক্ষার জন্য ভেটেরিনারি দল প্রস্তুত থাকবে এবং স্বাস্থ্য ছাড়পত্র ছাড়া কোনো পশু বিক্রি করতে দেওয়া হবে না।

হাটে নগদ টাকার বদলে ব্যাংক হিসাব ও ডিজিটাল লেনদেন


মন্ত্রী যে ব্যাংকিং সেবার কথা বলেন, তা কয়েক বছর ধরে সিটি করপোরেশনের সঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চালানো একটি উদ্যোগের ধারাবাহিকতা। দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস ২০২৫ সালের জুনে জানায়, ২০২২ সালে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের একটি পাইলট প্রকল্পে পশুর হাটে প্রায় ৩৫ কোটি টাকার নগদবিহীন লেনদেন হয়; ২০২৩ সালে তা বেড়ে হয় ৪৪ কোটি টাকা, আর ২০২৪ সালে রেকর্ড ৯৪ কোটি টাকা। ২০২৪ সালে ঢাকা ও চট্টগ্রামের ১০টি হাটে ৯টি বাণিজ্যিক ব্যাংক ও দুটি মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান এ সুবিধা দেয়, আর ২০২৫ সালে অংশ নেওয়া ব্যাংকের সংখ্যা দাঁড়ায় ১৬টিতে। এসব বুথে জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে ক্রেতা-বিক্রেতারা হিসাব খুলতে ও যেকোনো ব্যাংকে টাকা পাঠাতে পারতেন। পত্রিকাটি আরও জানায়, ঈদের সময় ঢাকা ও চট্টগ্রামের হাটের আশপাশে সান্ধ্যকালীন ব্যাংকিং চালু রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নির্দেশ দিয়েছিল।

২২ মে ডিএমপির মুখপাত্রও জানান, আগের মতো বড় অঙ্কের টাকা বহনে পুলিশি সহায়তা পাওয়া যাবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০২৫ সালের পরামর্শেও বড় লেনদেন ব্যাংকের মাধ্যমে করা এবং যতটা সম্ভব ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহারের কথা বলা হয়েছিল।

দিয়াবাড়ী ও রাজধানীর ২৭ হাট


মন্ত্রী যে হাট পরিদর্শন করেন, সেটি ২০২৬ সালের ঈদুল আজহায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ১৬টি হাটের একটি। দৈনিক ইত্তেফাকের ২০ মের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ডিএনসিসির হাটগুলোর মধ্যে ছিল মিরপুর সেকশন ৬ (ইস্টার্ন হাউজিং), কালশী বালুর মাঠ, ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এলাকা, মেরুল বাড্ডা কাঁচাবাজার, মোহাম্মদপুরের বসিলা ৪০ ফুট সড়ক, উত্তরা দিয়াবাড়ীর সেক্টর ১৬-১৮ এলাকা, মাস্তুল চেকপোস্ট, মহাখালী-টিএনটি এলাকা ও বসুন্ধরার বারোবেরাইদ এলাকা, সঙ্গে গাবতলীর স্থায়ী হাট। ঢাকা দক্ষিণের ১১টি হাটের মধ্যে ছিল পোস্তগোলা, রহমতগঞ্জ, আমুলিয়া মডেল টাউন, শ্যামপুর-কদমতলী, আফতাবনগর, দয়াগঞ্জ-জুরাইন ও বনশ্রী এলাকা। ঈদের দিনসহ মোট পাঁচ দিন আনুষ্ঠানিক বেচাকেনা চলার কথা ছিল।

বাসস ২২ মে জানায়, পানি উন্নয়ন বোর্ড এলাকাটি অধিগ্রহণ করায় স্থায়ী সারুলিয়া পশুর হাট সে বছর বন্ধ থাকবে। সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা জানান, অস্থায়ী হাটগুলোতে যানজট নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, জনস্বাস্থ্য, পানি সরবরাহ ও সার্বিক নিরাপত্তায় বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইত্তেফাকের প্রতিবেদনে বলা হয়, যানজট, বর্জ্য অপসারণ ও পানি সরবরাহের জন্য আলাদা টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে এবং সব হাটে সাদা পোশাকের পুলিশ মোতায়েন থাকবে।

ঢাকার উত্তরার দিয়াবাড়ীর খোলা মাঠ, ২০১৭ সালের এপ্রিলে তোলা ছবি। ছবি: G. Hameed / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
ঢাকার উত্তরার দিয়াবাড়ীর খোলা মাঠ, ২০১৭ সালের এপ্রিলে তোলা ছবি। ছবি: G. Hameed / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

ছবি: Wasiul Bahar / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

সূত্র: জাগো নিউজ ২৪, বাসস (বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা), দৈনিক ইত্তেফাক, ইউএনবি, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড, দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস, ঢাকা ট্রিবিউন, প্রথম আলো, বাংলাদেশ ব্যাংক, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর (লাইভস্টক ইকোনমি অ্যাট আ গ্লান্স), বাংলাদেশের আইন (দণ্ডবিধি, ১৮৬০)

অনলাইন ডেস্কদা এগ্রো নিউজ

লাইভস্টক

সম্পর্কিত খবর

লাইভস্টক

সৌরপ্যানেলের নিচে ভেড়া চরালে বাড়ে মৌমাছি, তবে সংখ্যা রাখতে হবে কম

কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় দেখা গেছে, সৌরখামারে হেক্টরপ্রতি দুটি ভেড়া চরালে ঘাস কাটার তুলনায় উপকারী পোকা ৩৮ শতাংশ বাড়ে। খামারিদের জন্য ভেড়ার পাল পরিকল্পনার একটি সহায়ক টুলও তৈরি করেছেন গবেষকেরা।

Farms.com১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

প্রোটিনের চাহিদায় বদলে গেল কানাডার দুধের বাজার, মাখনের উদ্বৃত্ত শেষ

দুগ্ধজাত প্রোটিনের চাহিদা বাড়ায় পাঁচ বছরের মধ্যে কানাডার দুধের বাজারে মাখনচর্বির কাঠামোগত উদ্বৃত্ত মিটে গেছে, দুধের দাম নির্ধারণেও এসেছে পরিবর্তন।

Manitoba Co-operator১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

সিকি হেক্টরে ওটের বীজ চাষ, ইথিওপিয়ার এক কৃষকের পারিবারিক ব্যবসা

ইথিওপিয়ার এক ক্ষুদ্র কৃষক মাত্র শূন্য দশমিক ২৫ হেক্টর জমিতে বীজের জন্য ওট চাষ করে প্রথম ফসল ৪৫ হাজার বির্রে বিক্রি করেন এবং পরের বছর চাষ বাড়ান। আইএলআরআইয়ের পশুখাদ্যের বীজকে ব্যবসায় রূপ দেওয়ার উদ্যোগের অংশ এটি।

ILRI১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)