সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৪%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

যেসব ফল খেলে রক্ত বাড়ে

আমাদের শরীরের প্রতিটি কোষে অক্সিজেন পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ কাজটি করে হিমোগ্লোবিন। রক্তের লোহিত কণিকায় থাকা এই প্রোটিন ফুসফুস থেকে অক্সিজেন সংগ্রহ করে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে পৌঁছে দেয়।

আমাদের শরীরের প্রতিটি কোষে অক্সিজেন পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ কাজটি করে হিমোগ্লোবিন। রক্তের লোহিত কণিকায় থাকা এই প্রোটিন ফুসফুস থেকে অক্সিজেন সংগ্রহ করে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে পৌঁছে দেয়।

একই সঙ্গে এটি দেহকোষ থেকে কার্বন-ডাই-অক্সাইড সংগ্রহ করে ফুসফুসে নিয়ে আসে, যাতে তা নিঃশ্বাসের মাধ্যমে শরীর থেকে বের হয়ে যেতে পারে। তাই রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কমে গেলে শরীরে অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দেয়। ফলে দুর্বলতা, ক্লান্তি, মাথা ঘোরা, শ্বাসকষ্ট এবং রক্তশূন্যতার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ঠিক রাখতে চিকিৎসকরা অনেক সময় আয়রন সাপ্লিমেন্ট গ্রহণের পরামর্শ দেন। তবে কৃত্রিম ওষুধের পাশাপাশি খাদ্যাভ্যাসে কিছু পরিবর্তন এনে প্রাকৃতিকভাবেও এই ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব। প্রকৃতিতে এমন অনেক ফল রয়েছে, যা নিয়মিত খেলে শরীরে নতুন রক্ত তৈরি হয় এবং হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়তে সাহায্য করে।

রক্তস্বল্পতা দূর করতে বেদানা বা ডালিম অত্যন্ত কার্যকর একটি ফল। এতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম এবং ফাইবার রয়েছে। বেদানার পুষ্টিগুণ রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে। প্রতিদিন একটি বেদানা বা এক গ্লাস বেদানার রস পান করলে রক্তশূন্যতার সমস্যা অনেকটাই কমতে পারে।

প্রতিদিন একটি আপেল, ডাক্তার থাকবে দূরে- এই কথার পেছনেও রয়েছে বৈজ্ঞানিক কারণ। আপেলে থাকা আয়রন, ভিটামিন এবং বিভিন্ন খনিজ উপাদান লোহিত রক্তকণিকা তৈরিতে সহায়তা করে। নিয়মিত আপেল খেলে শরীরে রক্তের ঘাটতি পূরণ হতে সাহায্য করে এবং অ্যানিমিয়ার ঝুঁকি কমে।

কিশমিশকে আয়রনের অন্যতম ভালো উৎস হিসেবে ধরা হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, রাতে এক মুঠ কিশমিশ পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে সেই পানি ও কিশমিশ একসঙ্গে খেলে শরীর সহজে আয়রন গ্রহণ করতে পারে। এটি হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়াতে এবং রক্তস্বল্পতা দূর করতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

পাকা কলা শুধু শক্তির উৎস নয়, এটি রক্ত তৈরিতেও সাহায্য করে। এতে থাকা ফলিক অ্যাসিড এবং আয়রন নতুন লোহিত রক্তকণিকা উৎপাদনে সহায়তা করে। বিশেষ করে যাদের শরীরে ফোলেটের ঘাটতি রয়েছে, তাদের জন্য কলা উপকারী একটি ফল।

গরমের জনপ্রিয় ফল তরমুজে রয়েছে আয়রন ও ভিটামিন সি। আয়রন শরীরে রক্ত তৈরিতে সাহায্য করে, আর ভিটামিন সি সেই আয়রন শোষণের ক্ষমতা বাড়ায়। ফলে তরমুজ নিয়মিত খেলে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে সহায়ক হতে পারে।

পেয়ারায় অত্যন্ত উচ্চ মাত্রায় ভিটামিন সি থাকে, যা আপনার শরীরকে উদ্ভিদ-ভিত্তিক খাবার থেকে আয়রন শোষণ করতে সাহায্য করে।

কমলালেবু, মাল্টা, মোসম্বি বা লেবুর মতো সাইট্রাস ফলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে। শুধু আয়রনসমৃদ্ধ খাবার খেলেই হবে না, সেই আয়রন শরীরে শোষিত হওয়াও জরুরি। ভিটামিন সি এই কাজটিই করে। তাই আয়রনসমৃদ্ধ খাবারের পাশাপাশি লেবুজাতীয় ফল খাওয়ার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদরা।

পাকা পেঁপেতে রয়েছে প্রচুর ফোলেট বা ফলিক অ্যাসিড, যা নতুন রক্তকণিকা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিয়মিত পেঁপে খেলে শরীরে রক্ত উৎপাদনের প্রক্রিয়া স্বাভাবিক থাকে এবং হিমোগ্লোবিনের ঘাটতি কমে।

স্ট্রবেরি, ব্ল্যাকবেরি, ব্লুবেরি কিংবা চেরির মতো ফলে রয়েছে আয়রন, ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এসব ফল শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি রক্তের গুণগত মান উন্নত করতেও সাহায্য করে। নিয়মিত খেলে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে ভূমিকা রাখে।

রক্তশূন্যতা বা হিমোগ্লোবিনের ঘাটতি দীর্ঘদিন অবহেলা করলে তা শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই সুষম খাদ্যের পাশাপাশি আয়রন, ফলিক অ্যাসিড এবং ভিটামিন সি-সমৃদ্ধ ফল নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখা জরুরি। প্রাকৃতিকভাবে রক্তের ঘাটতি পূরণ করতে চাইলে ফল হতে পারে আপনার প্রতিদিনের খাদ্যতালিকার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

সূত্র: হেলথলাইন, দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস ও অন্যান্য

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি চারটি তাজা আপেলের একটি যায় বিদেশে, রপ্তানি আয় রেকর্ড

২০২৫/২৬ বিপণন বছরে যুক্তরাষ্ট্র ১৮৭ কোটি পাউন্ড তাজা আপেল রপ্তানি করেছে, যা মোট তাজা উৎপাদনের প্রায় ২৬ শতাংশ। রপ্তানি আয় রেকর্ড ১১৬ কোটি ডলারে পৌঁছেছে; বড় ক্রেতা মেক্সিকো ও কানাডা।

ers_usda১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

রাজবাড়ীর বাজিতপুরে দুই একরে চার হাজার ড্রাগন গাছ, দিনে উঠছে ৫০ মণ ফল

রাজবাড়ী সদরের বসন্তপুর ইউনিয়নের বাজিতপুরে জেলার সবচেয়ে বড় ড্রাগন বাগানে গাছপ্রতি ১০-১২ কেজি ফল ধরেছে; ভরা মৌসুমে দিনে প্রায় দুই হাজার কেজি ফল উঠছে, পাইকারি দর কেজি ১৫০ টাকা।

ঢাকা মেইল১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

আপেলগাছের গোড়ায় লালচে গুঁড়া? সতর্ক করছে বিরল কাণ্ড ছিদ্রকারী পোকা

কানাডার ম্যানিটোবার কৃষি বিভাগ ফলচাষিদের রাউন্ডহেডেড অ্যাপল ট্রি বোরার নিয়ে সতর্ক থাকতে বলছে। এই লম্বা-শুঙ্গ গুবরে পোকার কীড়া জীবন্ত আপেল ও সাস্কাটুন গাছের ভেতরে তিন বছর পর্যন্ত সুড়ঙ্গ কাটে; কাণ্ডের গোড়ায় লালচে গুঁড়াই সবচেয়ে স্পষ্ট লক্ষণ।

Manitoba Co-operator১৫ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)