সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও জিন সম্পাদনায় ফসলের হারানো রোগ প্রতিরোধ ফেরাচ্ছে রিসারেক্ট বায়ো

যুক্তরাজ্যের স্টার্টআপটি এআই দিয়ে খুঁজে বের করে রোগজীবাণুর প্রোটিন কীভাবে গাছের রোগ-শনাক্তকারী রিসেপ্টর অচল করে, তারপর ছোট জিন সম্পাদনার নকশা করে যাতে আলু, টমেটো, সয়াবিন, ভুট্টা ও পালংশাক রাসায়নিক ছাড়াই নিজেকে রক্ষা করতে পারে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও জিন সম্পাদনায় ফসলের হারানো রোগ প্রতিরোধ ফেরাচ্ছে রিসারেক্ট বায়ো
এগ্রোটেক

যুক্তরাজ্যের স্টার্টআপ রিসারেক্ট বায়ো (Resurrect Bio) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে এমন জিন সম্পাদনা খুঁজছে, যা দিয়ে ফসল সময়ের সঙ্গে রোগজীবাণুর কাছে হারানো প্রাকৃতিক রোগ প্রতিরোধক্ষমতা ফিরে পায়। এতে ছত্রাক, উমাইসিট ও কৃমিজাতীয় নেমাটোড ঠেকাতে কৃষকের রাসায়নিক স্প্রে কমতে পারে। সাক্ষাৎকারটি প্রকাশ করা এজিফান্ডনিউজ জানিয়েছে, তাদের মূল প্রতিষ্ঠান এজিফান্ড রিসারেক্ট বায়োর বিনিয়োগকারী।

সমস্যাটা হলো: গাছের কোষে রোগ-শনাক্তকারী রিসেপ্টর থাকে, কিন্তু রোগজীবাণু ও পোকা বিবর্তনের মধ্য দিয়ে এমন প্রোটিন তৈরি করেছে, যা এই রিসেপ্টরে আটকে সেটিকে অচল করে, বা শনাক্ত হওয়া এড়িয়ে যায়। বুনো আত্মীয় গাছ থেকে প্রতিরোধী জিন আনা বা রোগ ঢোকার পথ করে দেওয়া জিন বন্ধ করার বদলে রিসারেক্ট বায়ো গাছের রিসেপ্টর আর জীবাণুর প্রোটিনের এই পারস্পরিক ক্রিয়ার মানচিত্র তৈরি করে, তারপর দেখিয়ে দেয় বীজ কোম্পানির অংশীদারেরা গাছের কোথায় সম্পাদনা করলে সেই বাধা ভাঙবে বা শনাক্তকরণ ফিরবে।

কাজ শুরু হয় প্রতিষ্ঠানটির ফ্লোরাফোল্ড (FloraFold) প্ল্যাটফর্মে। এটি প্রোটিনের ভাঁজ নির্ণয়ের একটি এআই যন্ত্র, গুগল ডিপমাইন্ডের আলফাফোল্ডের নামে নাম, তবে গাছ, গাছের রোগজীবাণু ও পোকার জন্য তৈরি; এটি অনুমান করে কোন প্রোটিন কোনটির সঙ্গে ক্রিয়া করে। লন্ডনে ওয়ার্ল্ড অ্যাগ্রি-টেক সম্মেলনে সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কিয়ান ডুগান (Cian Duggan) এজিফান্ডনিউজকে বলেন, এর কাজ "খোঁজার পরিসর ছোট করা", যাতে গবেষণাগারে কম নমুনা পরীক্ষা করতে হয়। শেষ ধাপে নকশা করা হয় "সম্ভাব্য সবচেয়ে কম ডিএনএ পরিবর্তন", আর সেই সম্পাদনার লাইসেন্স দেওয়া হয় বীজ কোম্পানি ও উদ্ভিদ প্রজননবিদদের।

ডুগানের মতে, পদ্ধতিটি যেকোনো ফসল, বেশির ভাগ রোগজীবাণু ও অনেক পোকার ক্ষেত্রে কাজ করে, তবে প্রতিটি বৈশিষ্ট্য তৈরি হয় নির্দিষ্ট ফসল ও নির্দিষ্ট শত্রুর জন্য, যেমন আলুর নাবি ধসা বা কোনো ভাইরাস। তাঁর ভাষায়, এটি "খুবই লক্ষ্যভেদী পদ্ধতি, প্রায় ব্যক্তিগত চিকিৎসার মতো।" প্রতিষ্ঠানটি এখন আলু, টমেটো, সয়াবিন, ভুট্টা ও পালংশাক নিয়ে কাজ করছে। অনাকাঙ্ক্ষিত প্রভাব শুরুতেই বাছাই করে বাদ দেওয়া হয়, তবে শেষ কথা বলবে মাঠ পরীক্ষা।

প্রতিরোধ কতদিন টিকবে, সে প্রশ্নে তিনি খোলামেলা। "রোগজীবাণুর বিরুদ্ধে কখনো বাজি ধরবেন না। শেষ পর্যন্ত জীবাণুই জেতে," বলেন তিনি। তবে এআই এবং আগে জীবাণু কীভাবে প্রতিরোধ ভেঙেছে সেই জ্ঞান দিয়ে তাদের পরের চাল আন্দাজ করে এক ধাপ এগিয়ে থাকা যায়। রোগ ঢোকার পথ করে দেওয়া জিন বন্ধ করার চেয়ে তিনি প্রতিরোধী জিন সচল করা পছন্দ করেন, কারণ সেই জিনের হয়তো গাছের জন্য অন্য দরকারি কাজ আছে, যেমন খরার সময়।

প্রায় ছয় মাস আগে রিসারেক্ট বায়ো সিরিজ এ বিনিয়োগ পর্ব শেষ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি নিজে তৈরি বৈশিষ্ট্যের লাইসেন্স দেয়, অথবা অংশীদারের অর্থায়নে শুরু থেকে প্রকল্পে কাজ করে। ডুগান বলেন, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের জিন-সম্পাদিত ফসলের নতুন নিয়ম তাদের নিজেদের বাজার খুলে দিচ্ছে; এতদিন পণ্য উন্নয়নে তারা মূলত আমেরিকার দিকে নজর দিয়েছিল।

ছবি: Björn Andersson (SLU) / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

সূত্র: এজিফান্ডনিউজ

এজিফান্ডনিউজসূত্র

এগ্রোটেক

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

সৌরশক্তির রিসার্কুলেটিং ট্যাংকে পাহাড়ে ট্রাউট চাষ, পানি লাগবে ৮০ শতাংশ কম

ভারতের উত্তরাখণ্ডের এক খামারে সৌরশক্তিচালিত হাইব্রিড রিসার্কুলেটিং অ্যাকুয়াকালচার সিস্টেম চালু করেছে আইসিএআর-সিআইসিএফআর; প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এতে পানি প্রায় ৮০ শতাংশ কম লাগে এবং একজন ট্রাউটচাষি বছরে ৪ থেকে ৫ লাখ রুপি উদ্বৃত্ত পেতে পারেন।

আইসিএআর১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

শিকড়ের কাছে তরল সার পৌঁছাবে হালকা যন্ত্র, পরের লক্ষ্য সার দেওয়ার রোবট

নেদারল্যান্ডসের এক প্রদর্শনীতে দেখানো হালকা ডিস্ক যন্ত্রটি তরল সার সরাসরি মাটির ভেতরে দেয়। এর উদ্ভাবকেরা একে বিদ্যুৎচালিত এমন রোবটে রূপ দিতে চান, যা নিজেই ডকিং স্টেশনে গিয়ে ট্যাংক ভরে নেবে।

Future Farming১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফসল

২০ নভেম্বরের আগে গম বুনুন: উত্তর প্রদেশে শূন্য চাষ পদ্ধতির প্রশিক্ষণ দিল ইরি ও সিমিট

খড় পোড়ানোর বিকল্প হিসেবে শূন্য চাষে গম বপন ও ফসলের অবশিষ্টাংশ ব্যবস্থাপনায় পূর্ব উত্তর প্রদেশের ৬৩ জন কৃষক, যন্ত্রসেবাদাতা ও সম্প্রসারণকর্মীকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে ইরি ও সিমিট।

IRRI১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)