মুন্সিগঞ্জের ব্যবসায়ী উদ্যোক্তা মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান ৪২ বিঘা জমিতে গড়ে তুলেছেন বিশাল এক ড্রাগন ফলের বাগান। তার এই আধুনিক কৃষি উদ্যোগ গ্রামীণ অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখছে। টনিক বা গ্রোথ হরমোন ব্যবহার করে উৎপাদিত ড্রাগনফলে বাজার ভরে গেছে- তা নিয়ে শঙ্কায় আছেন এ উদ্যোক্তা।
সকলের সচেতনতাই টিকিয়ে রাখতে পারে ড্রাগনফলের বাজার
মুন্সিগঞ্জের ব্যবসায়ী উদ্যোক্তা মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান ৪২ বিঘা জমিতে গড়ে তুলেছেন বিশাল এক ড্রাগন ফলের বাগান। তার এই আধুনিক কৃষি উদ্যোগ গ্রামীণ অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখছে। টনিক বা গ্রোথ হরমোন ব্যবহার করে উৎপাদিত ড্রাগনফলে বাজার ভরে গেছে- তা নিয়ে শঙ্কায় আছেন এ উদ্যোক্তা।
ফল
সম্পর্কিত খবর
ফলযুক্তরাষ্ট্রের প্রতি চারটি তাজা আপেলের একটি যায় বিদেশে, রপ্তানি আয় রেকর্ড
২০২৫/২৬ বিপণন বছরে যুক্তরাষ্ট্র ১৮৭ কোটি পাউন্ড তাজা আপেল রপ্তানি করেছে, যা মোট তাজা উৎপাদনের প্রায় ২৬ শতাংশ। রপ্তানি আয় রেকর্ড ১১৬ কোটি ডলারে পৌঁছেছে; বড় ক্রেতা মেক্সিকো ও কানাডা।
ফলরাজবাড়ীর বাজিতপুরে দুই একরে চার হাজার ড্রাগন গাছ, দিনে উঠছে ৫০ মণ ফল
রাজবাড়ী সদরের বসন্তপুর ইউনিয়নের বাজিতপুরে জেলার সবচেয়ে বড় ড্রাগন বাগানে গাছপ্রতি ১০-১২ কেজি ফল ধরেছে; ভরা মৌসুমে দিনে প্রায় দুই হাজার কেজি ফল উঠছে, পাইকারি দর কেজি ১৫০ টাকা।
ফলআপেলগাছের গোড়ায় লালচে গুঁড়া? সতর্ক করছে বিরল কাণ্ড ছিদ্রকারী পোকা
কানাডার ম্যানিটোবার কৃষি বিভাগ ফলচাষিদের রাউন্ডহেডেড অ্যাপল ট্রি বোরার নিয়ে সতর্ক থাকতে বলছে। এই লম্বা-শুঙ্গ গুবরে পোকার কীড়া জীবন্ত আপেল ও সাস্কাটুন গাছের ভেতরে তিন বছর পর্যন্ত সুড়ঙ্গ কাটে; কাণ্ডের গোড়ায় লালচে গুঁড়াই সবচেয়ে স্পষ্ট লক্ষণ।

মন্তব্য
(০)