সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

সরকারি গাছের ফল কুড়ালেও হবে জরিমানা-কারাদণ্ড!

সিঙ্গাপুরে বসবাসরত এক ভারতীয় নারী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট করে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। তার দাবি, দেশটিতে সরকারি জায়গায় থাকা গাছ থেকে পড়ে থাকা একটি আম কুড়িয়ে নিলেও গুনতে হতে পারে মোটা অঙ্কের জরিমানা।

সিঙ্গাপুরে বসবাসরত এক ভারতীয় নারী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট করে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। তার দাবি, দেশটিতে সরকারি জায়গায় থাকা গাছ থেকে পড়ে থাকা একটি আম কুড়িয়ে নিলেও গুনতে হতে পারে মোটা অঙ্কের জরিমানা।

এক্সে (সাবেক টুইটার) করা পোস্টে প্রিয়াঙ্কা সিনহা জানান, সিঙ্গাপুরে কোনো সরকারি গাছের নিচে পড়ে থাকা আম তুললে সর্বোচ্চ ৫ হাজার সিঙ্গাপুর ডলার পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৫ লাখ টাকা।

তার এই পোস্ট মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। বিশেষ করে ভারতীয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করেন। কারণ, দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশেই রাস্তার পাশের ফলের গাছ থেকে মানুষ অবাধে ফল সংগ্রহ করে থাকে।

নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে প্রিয়াঙ্কা সিনহা বলেন, সিঙ্গাপুরে সরকারি জায়গায় থাকা ফলগাছের ফল রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়। ফলে অনুমতি ছাড়া কেউ সেই গাছ থেকে ফল তুলতে বা নিচে পড়ে থাকা ফল সংগ্রহ করতে পারেন না।

তার পোস্টের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। কেউ কেউ ভারতের সঙ্গে তুলনা টেনে বলেন, ভারতীয় শহরগুলোতে এমন আইন কার্যকর করা প্রায় অসম্ভব। আবার অনেকে মন্তব্য করেন, সিঙ্গাপুরের কঠোর নাগরিক আইন ও শৃঙ্খলার সংস্কৃতির কারণেই দেশটি এত পরিচ্ছন্ন ও সুশৃঙ্খল।

সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল পার্কস (এনপার্কস) বোর্ডের ওয়েবসাইটেও এ বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, সরকারি জমিতে থাকা গাছ ও সেই গাছের ফল রাষ্ট্রের মালিকানাধীন। এসব গাছের অধিকাংশই এনপার্কসের তত্ত্বাবধানে থাকে।

কোনো ব্যক্তি যদি সরকারি জমিতে থাকা গাছ থেকে ফল তুলতে চান বা পড়ে থাকা ফল সংগ্রহ করতে চান, তাহলে তাকে আগে এনপার্কসের অনুমতি নিতে হবে। অনুমতি ছাড়া পাবলিক পার্ক থেকে ফল সংগ্রহ করলে 'পার্কস অ্যান্ড ট্রিজ অ্যাক্ট' অনুযায়ী সর্বোচ্চ ৫ হাজার ডলার জরিমানা হতে পারে।

আর যদি কেউ 'নেচার রিজার্ভ' বা 'জাতীয় উদ্যান এলাকা' থেকে ফল সংগ্রহ করেন, তাহলে জরিমানার পরিমাণ বেড়ে ৫০ হাজার সিঙ্গাপুর ডলার পর্যন্ত হতে পারে। এমনকি ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ডও হতে পারে।

এই আইন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হাস্যরসও কম হয়নি। এক ব্যবহারকারী মজা করে লেখেন, যদি আমাদের পোষা প্রাণী ফল কুড়িয়ে আনে তাহলে কী হবে? এর জবাবে আরেকজন লেখেন, সিঙ্গাপুরে পোষা প্রাণীকেও মালিকের অংশ হিসেবেই ধরা হয়। তাই আপনার পোষা প্রাণী যদি সরকারি গাছের ফল সংগ্রহ করে, তাহলে আইনগতভাবে সেটি আপনার কাজ হিসেবেই বিবেচিত হবে।

আরেকজন মন্তব্য করেন, ওহ মাই গড! আমার ভারতই সেরা। তবে অনেকে মনে করেন, জরিমানার অঙ্ক অতিরিক্ত হলেও সিঙ্গাপুরের কঠোর আইনই দেশটির জনপরিসরকে পরিচ্ছন্ন ও সুশৃঙ্খল রাখতে সাহায্য করেছে।

বিশ্বজুড়ে সিঙ্গাপুর পরিচিত কঠোর নাগরিক আইনের জন্য। পরিচ্ছন্নতা, ভাঙচুর, ময়লা ফেলা কিংবা সরকারি সম্পত্তির অপব্যবহারের মতো বিষয়ে দেশটিতে কড়া শাস্তির বিধান রয়েছে। কর্তৃপক্ষের দাবি, এসব কঠোর নিয়মের কারণেই সিঙ্গাপুর বিশ্বের অন্যতম পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ দেশে পরিণত হয়েছে।

সূত্র: এনডিটিভি

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি চারটি তাজা আপেলের একটি যায় বিদেশে, রপ্তানি আয় রেকর্ড

২০২৫/২৬ বিপণন বছরে যুক্তরাষ্ট্র ১৮৭ কোটি পাউন্ড তাজা আপেল রপ্তানি করেছে, যা মোট তাজা উৎপাদনের প্রায় ২৬ শতাংশ। রপ্তানি আয় রেকর্ড ১১৬ কোটি ডলারে পৌঁছেছে; বড় ক্রেতা মেক্সিকো ও কানাডা।

ers_usda১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

রাজবাড়ীর বাজিতপুরে দুই একরে চার হাজার ড্রাগন গাছ, দিনে উঠছে ৫০ মণ ফল

রাজবাড়ী সদরের বসন্তপুর ইউনিয়নের বাজিতপুরে জেলার সবচেয়ে বড় ড্রাগন বাগানে গাছপ্রতি ১০-১২ কেজি ফল ধরেছে; ভরা মৌসুমে দিনে প্রায় দুই হাজার কেজি ফল উঠছে, পাইকারি দর কেজি ১৫০ টাকা।

ঢাকা মেইল১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

আপেলগাছের গোড়ায় লালচে গুঁড়া? সতর্ক করছে বিরল কাণ্ড ছিদ্রকারী পোকা

কানাডার ম্যানিটোবার কৃষি বিভাগ ফলচাষিদের রাউন্ডহেডেড অ্যাপল ট্রি বোরার নিয়ে সতর্ক থাকতে বলছে। এই লম্বা-শুঙ্গ গুবরে পোকার কীড়া জীবন্ত আপেল ও সাস্কাটুন গাছের ভেতরে তিন বছর পর্যন্ত সুড়ঙ্গ কাটে; কাণ্ডের গোড়ায় লালচে গুঁড়াই সবচেয়ে স্পষ্ট লক্ষণ।

Manitoba Co-operator১৫ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)