সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৯°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৫৮%বাতাস ৬ কিমি/ঘ

এল নিনোকে নগদ অর্থের ঝুঁকি হিসেবে দেখার পরামর্শ দক্ষিণ আফ্রিকার কৃষকদের

শক্তিশালী এল নিনোর আশঙ্কায় দক্ষিণ আফ্রিকার অর্থনীতিবিদেরা কৃষকদের তিনটি পরিস্থিতির জন্য বাজেট করতে, সব জমিতে চাষ না করতে এবং আগেভাগে ব্যাংকের সঙ্গে কথা বলতে পরামর্শ দিয়েছেন; আর্থিক ক্ষতি সামলাতে বছরের পর বছর লাগতে পারে।

এল নিনোকে নগদ অর্থের ঝুঁকি হিসেবে দেখার পরামর্শ দক্ষিণ আফ্রিকার কৃষকদের
ফসল

২০১৫/১৬ সালের ভয়াবহ খরার আগের তুলনায় দক্ষিণ আফ্রিকার কৃষকেরা এবার এল নিনোর জন্য ভালো প্রস্তুতি নিয়ে ২০২৬/২৭ গ্রীষ্ম মৌসুমে ঢুকেছেন। তবে ভুল আর্থিক সিদ্ধান্তে কয়েক বছর ধরে ক্ষতি টানতে হতে পারে বলে ১২ অক্টোবর প্রিটোরিয়ায় এল নিনো প্রস্তুতি নিয়ে এক গোলটেবিল বৈঠকে সতর্ক করেছেন অর্থনীতিবিদেরা। খবরটি দিয়েছে ফার্মার্স উইকলি সাউথ আফ্রিকা।

কৃষি ও ভূমিবিষয়ক প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত ওয়ান্দিলে সিহলোবোর (Wandile Sihlobo) ডাকা বৈঠকে বলা হয়, গরম ও শুষ্ক আবহাওয়া স্বাভাবিকের চেয়ে আগে আসতে পারে এবং মৌসুমের শেষ দিকে বৃষ্টি কমবে। সবচেয়ে ঝুঁকিতে ফ্রি স্টেট, নর্থ ওয়েস্ট, এমপুমালাঙ্গা ও লিমপোপো প্রদেশ। ২০১৫/১৬ সালের তুলনায় এবার মাটির আর্দ্রতা ভালো, শস্যের মজুত সন্তোষজনক, বাঁধে পানি বেশি, প্রযুক্তিও উন্নত। তবে জাতীয় কৃষি বিপণন পরিষদের প্রধান নির্বাহী ড. সিম্ফিওয়ে এনকাঙ্গওয়েনি মনে করিয়ে দেন, বড় বাঁধগুলোতে প্রায় ৯০ শতাংশ পানি সেচনির্ভর খামারের যতটা কাজে লাগবে, বৃষ্টিনির্ভর কৃষকের ততটা নয়।

এফএনবির জ্যেষ্ঠ কৃষি অর্থনীতিবিদ পল মাকুবে (Paul Makube) বলেন, এল নিনোকে নিশ্চিত দুর্যোগ না ভেবে আর্থিক ঝুঁকি হিসেবে দেখা উচিত। আগেভাগে ঘাটতি ধরতে তিনি তিনটি পরিস্থিতির জন্য নগদ প্রবাহের বাজেট করার পরামর্শ দেন: স্বাভাবিক মৌসুম, দুর্বল মৌসুম ও তীব্র খরা। তাঁর কথায়, প্রতিটি হেক্টর চাষে নগদ টাকা আটকে যায়, আর চারণভূমি যে পশুকে খাওয়াতে পারে না, সে পশু খাদ্যের বিল হয়ে দাঁড়ায়। তাই সব জমি চাষ বা সব পশু পালনের বদলে সবচেয়ে সম্ভাবনাময় জমি ও পশুতে উপকরণ দেওয়ার পরামর্শ তাঁর।

সার, রক্ষণাবেক্ষণ বা অভিজ্ঞ কর্মীর খরচ অন্ধভাবে কাটার বিরুদ্ধেও সতর্ক করেন তিনি। আর্থিক সংকটের আগাম লক্ষণ হলো স্বাভাবিকের চেয়ে আগে ওভারড্রাফট নেওয়া, সরবরাহকারীর বকেয়া পরের মাসে টেনে নেওয়া এবং স্বল্পমেয়াদি ঋণের ওপর নির্ভরতা বাড়া। ঋণ শোধে সমস্যার আশঙ্কা থাকলে হালনাগাদ হিসাব ও বাস্তবসম্মত নগদ প্রবাহের হিসাব নিয়ে আগেভাগে ব্যাংকে যেতে বলেন তিনি। তাঁর ভাষায়, ভালো মৌসুম আবার আসবেই; লক্ষ্য হলো তখনো যেন ব্যবসাটি টিকে থাকে এবং সুযোগ কাজে লাগাতে পারে। প্রতিবেদনটি লিখেছেন লিন্ডি বোথা (Lindi Botha)।

ছবি: Lotus Head / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)

সূত্র: ফার্মার্স উইকলি সাউথ আফ্রিকা

ফার্মার্স উইকলি সাউথ আফ্রিকাসূত্র

ফসল

সম্পর্কিত খবর

ফসল

ইংল্যান্ডে যবের ফলন ১৪ বছরে সর্বনিম্ন, গম সামান্য বেশি

যুক্তরাজ্যের কৃষি মন্ত্রণালয় ডেফরার প্রাথমিক হিসাবে ইংল্যান্ডে যব উৎপাদন ১১ শতাংশ কমে ৩৭ লাখ টন হয়েছে, গম ০ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ১ কোটি ৮ লাখ টন; গমের তুলনায় পশুখাদ্যের যব বিক্রি হচ্ছে অনেক কম দামে।

Farmers Weekly১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
বিশ্ব

ভালো ফসলের বছরেও আফগানিস্তানে শীতে তীব্র খাদ্যসংকটে পড়বে ১ কোটি ৯২ লাখ মানুষ

অনুকূল বৃষ্টি ও ভালো ফসলের পরও নভেম্বর-এপ্রিলে আফগানিস্তানের ৩৮ শতাংশ মানুষ তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় পড়বে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে এফএও ও ডব্লিউএফপি; গত বছর একই সময়ের পূর্বাভাস ছিল ১ কোটি ৭৪ লাখ।

ডব্লিউএফপি১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

জমির সিদ্ধান্তের ভার পেয়ে তুলার ফলন সাত গুণ করলেন মহারাষ্ট্রের সুনীতা

একসময় দিনমজুরি করা, পরিবারের ১২ একর জমি নিয়ে কোনো সিদ্ধান্তের অধিকার না থাকা মহারাষ্ট্রের পাচোদ গ্রামের সুনীতা নেহারে এখন খামার চালান; মাটি ও পানি সংরক্ষণে একরপ্রতি তুলার ফলন প্রায় ১ থেকে বাড়িয়েছেন ৭ দশমিক ১৪ কুইন্টালে।

ডাউন টু আর্থ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)