সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৪%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

কক্সবাজারে এক বছরে ইলিশ কমেছে ১,১৩১ টন, কারণ জলবায়ু, পলি ও অতিআহরণ

জেলা মৎস্য বিভাগের হিসাবে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কক্সবাজারে ইলিশ উৎপাদন আগের বছরের চেয়ে প্রায় ২০.৫ শতাংশ কমেছে; কর্মকর্তারা জলবায়ু পরিবর্তন, নদী-খালের নাব্যতা হ্রাস ও অতিরিক্ত আহরণকে দায়ী করছেন।

কক্সবাজারে এক বছরে ইলিশ কমেছে ১,১৩১ টন, কারণ জলবায়ু, পলি ও অতিআহরণ
মৎস্য

কক্সবাজারে এক বছরের ব্যবধানে ইলিশ উৎপাদন কমেছে ১ হাজার ১৩১ দশমিক ৭৪১ মেট্রিক টন, যা প্রায় ২০ দশমিক ৫ শতাংশ। জেলা মৎস্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জেলায় ইলিশ উৎপাদন হয়েছিল ৫ হাজার ৫২৩ দশমিক ১০ মেট্রিক টন; ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তা নেমে এসেছে ৪ হাজার ৩৯১ দশমিক ৩৫৯ মেট্রিক টনে।

মৎস্য বিভাগ বলছে, এই পতনের পেছনে একক কোনো কারণ নেই। জলবায়ু পরিবর্তনে পানির তাপমাত্রা, লবণাক্ততা, বৃষ্টিপাত ও পানিপ্রবাহ বদলে যাচ্ছে; একই সঙ্গে নদী-খালের নাব্যতা কমছে, উপকূলীয় চ্যানেল সংকুচিত হচ্ছে এবং মাছ ধরা হচ্ছে মাত্রার বেশি। এসবের প্রভাব পড়ছে ইলিশের বিচরণ ও প্রজননে।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. নাজমুল হুদা বলেন, পানির তাপমাত্রা, দ্রবীভূত অক্সিজেন, পিএইচ, লবণাক্ততা ও বৃষ্টিপাতের সঙ্গে ইলিশের প্রজনন অঙ্গ পরিপক্ব হওয়ার সম্পর্ক রয়েছে। এগুলোতে অস্বাভাবিক পরিবর্তন হলে প্রজননের সময়, স্থান ও সফলতাও বদলে যেতে পারে। তাঁর ভাষায়, নদী ও চ্যানেল অগভীর হয়ে পড়লে সাগর থেকে উজানে ইলিশের চলাচল বাধা পায়; কক্সবাজারের বহু নদী-খালের প্রস্থ ও গভীরতা আগের চেয়ে কমেছে, কোথাও পলি জমে মোহনাও অগভীর হয়েছে।

চাপ বাড়াচ্ছে আহরণও। জেলায় নিবন্ধিত মাছ ধরার ট্রলার প্রায় ৫ হাজার ২৫০টি। নাজমুল হুদা বলেন, প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ ধরা পড়লে ডিম ছাড়ার সুযোগ কমে, আর জাটকা নির্বিচারে ধরলে ভবিষ্যতের প্রজননক্ষম মাছই কমে যায়। শুধু জলবায়ু পরিবর্তনকে দায়ী না করে নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার, নাব্যতা হ্রাস ও আবাসস্থলের পরিবর্তনকেও বিবেচনায় নিতে হবে বলে তিনি মনে করেন।

উপকূলের জেলেরা বলছেন আয়ের অনিশ্চয়তার কথা। উখিয়ার জালিয়াপালং ইউনিয়নের ইনানীর জেলে নুরুল করিম জানান, নিষেধাজ্ঞার সময় কষ্ট হলেও তাঁরা মাছ ধরা বন্ধ রাখেন, তবু আগের তুলনায় সাগরে প্রায়ই কম মাছ মেলে। শহরের নুনিয়ারছড়ার জেলে সাইফুল আমিন বলেন, এখন সাগরে যাওয়ার আগে আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেখতে হয়, বৈরী আবহাওয়া বেড়েছে, আর কোথায় মাছ মিলবে তা-ও আগের মতো নিশ্চিত নয়।

মা ইলিশ রক্ষায় ৮ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত সারা দেশে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা থাকছে; এ সময় ইলিশ ধরা, পরিবহন, মজুত, বাজারজাত ও বিক্রি বন্ধ। মৎস্য কর্মকর্তাদের হিসাবে একটি পূর্ণবয়স্ক মা ইলিশ গড়ে ১৫ থেকে ২০ লাখ ডিম দিতে পারে। তবে নাজমুল হুদা বলেন, আইন প্রয়োগের পাশাপাশি প্রজনন ও আবাসস্থল সংরক্ষণ, গবেষণা এবং নিষেধাজ্ঞার সময় জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থান ও সহায়তা একসঙ্গে চালাতে হবে।

প্রতিবেদনটি রাইজিংবিডির; এগ্রিকেয়ার২৪ তা প্রকাশ করেছে।

ছবি: RatulAsian / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

সূত্র: এগ্রিকেয়ার২৪

এগ্রিকেয়ার২৪সূত্র

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

কেরালার উপকূলীয় নারীদের ৮৪টি মাছের ব্যবসা, পারিবারিক আয় বেড়েছে ৩০-৩৫ শতাংশ

আইসিএআর-সিএমএফআরআইয়ের এক কর্মসূচির সহায়তায় ২০২২ থেকে ২০২৬ সালে কেরালার আট জেলায় ৮৪টি মৎস্যভিত্তিক ক্ষুদ্র উদ্যোগ গড়ে উঠেছে; সরাসরি উপকৃত ৪৬৯ জন, যাঁদের বেশির ভাগ তফসিলি জাতিভুক্ত।

আইসিএআর১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মৎস্য

সৌরশক্তির রিসার্কুলেটিং ট্যাংকে পাহাড়ে ট্রাউট চাষ, পানি লাগবে ৮০ শতাংশ কম

ভারতের উত্তরাখণ্ডের এক খামারে সৌরশক্তিচালিত হাইব্রিড রিসার্কুলেটিং অ্যাকুয়াকালচার সিস্টেম চালু করেছে আইসিএআর-সিআইসিএফআর; প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এতে পানি প্রায় ৮০ শতাংশ কম লাগে এবং একজন ট্রাউটচাষি বছরে ৪ থেকে ৫ লাখ রুপি উদ্বৃত্ত পেতে পারেন।

আইসিএআর১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মৎস্য

আট পদের পাঁচটিই শূন্য, তিনজনে চলছে শায়েস্তাগঞ্জের সরকারি মৎস্য বীজ খামার

১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ সরকারি মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারে ১২টি পুকুরে পোনা উৎপাদন চললেও আট পদের পাঁচটি শূন্য, নৈশপ্রহরী নেই, বরাদ্দ না থাকায় চাষি প্রশিক্ষণও বন্ধ।

মানবজমিন১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)