সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

সত্যিকারের ‘ড্রাগন’ হতে পারলেন না তোয়ো ম্রো

‘ভালো দাম পাওয়া গেলে ড্রাগন ফলে সত্যিকারের ড্রাগন হতে পারতাম। কিন্তু করোনা ড্রাগন হতে দিচ্ছে না। লকডাউনের কারণে ব্যবসায়ীরা আসতে পারছেন না। এ জন্য কিছু কম দামে হলেও স্থানীয় ব্যবস

‘ভালো দাম পাওয়া গেলে ড্রাগন ফলে সত্যিকারের ড্রাগন হতে পারতাম। কিন্তু করোনা ড্রাগন হতে দিচ্ছে না। লকডাউনের কারণে ব্যবসায়ীরা আসতে পারছেন না। এ জন্য কিছু কম দামে হলেও স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বন্ধুদের সহযোগিতায় বিক্রি করতে হচ্ছে।’

চিম্বুক পাহাড়ের বসন্ত ম্রোপাড়ার বাগানি তোয়ো ম্রো গত বুধবার এভাবে তাঁর বাগানের ড্রাগন ফল বিক্রির সমস্যার কথা বলছিলেন। অবশ্য শুধু তোয়ো ম্রো একা নন, লকডাউনের কারণে আশানুরূপ দাম না পেয়ে ড্রাগনবাগানিরা সবাই কম-বেশি হতাশ।

তোয়ো ম্রো আদর্শ বাগানি হিসেবে ২০১৮ প্রথম আলো কৃষি পুরস্কার পান।

বাগানে কাজ করতে করতে তোয়ো ম্রো বলছিলেন, ভোরে ফলের গাড়ি নিয়ে বান্দরবান বাজারে গিয়েছিলেন। আবার বাগানে ফিরে ড্রাগন ছিঁড়ছেন। আগামীকাল (গতকাল) সকালে আবার ৫০০ কেজি ড্রাগন চট্টগ্রামের এক প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে হবে। এ জন্য বসে থাকার সুযোগ নেই। দাম কম হলেও বিক্রি না করে উপায় নেই।

তোয়ো ম্রো জানান, গত বছর প্রতি কেজি ড্রাগন ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এবারে বড়গুলো ২০০-২৫০ টাকা এবং ছোটগুলো ১০০-১৫০ টাকায়ও ক্রেতা পাওয়া যাচ্ছে না। জুলাইয়ের দ্বিতীয় দফার ফলনে ১৪-১৫ টন ড্রাগন ভালো দামে বিক্রি করতে পারলে ৩০-৩৫ লাখ টাকা পাওয়া যেত। কিন্তু বর্তমান বাজার থাকলে ১০-১২ লাখ টাকা পাওয়াও কঠিন হবে বলে তাঁর ধারণা।

সদর উপজেলায় বান্দরবান-চিম্বুক সড়ক থেকে এক কিলোমিটার ভেতরে বসন্ত ম্রোপাড়া। পাড়ার পাশে তোয়ো ম্রোর বিশাল ড্রাগন ফলের বাগান। প্রায় ২ একর জমিতে ২ হাজার ২০০ ড্রাগনের খুঁটিতে সব কটিতে কম-বেশি ফল ধরেছে। বাগানটি দেখতে সবুজের ভাঁজে ভাঁজে লাল রঙের ক্যাক্টাসের কাঁটাবন মনে হয়।

তোয়ো ম্রোর স্ত্রী পিঠে থুরুং (ঝুড়ি) ঝুলিয়ে ড্রাগন ফল তুলতে তুলতে বললেন, প্রতিদিন ১৪-১৫ মণ ফল ছিঁড়তে হয়। রাতে ফল মেপে রাখা, ভোররাতে গাড়িতে তুলে দেওয়া, সকালে আবার ফল ছেঁড়া, অনেক কষ্টের কাজ।

থানচি উপজেলায়ও ড্রাগনের ভালো ফলন হয়েছে। এখানকার বাগানি খামলাই ম্রো বলেন, দাম ভালো না হওয়ায় উৎপাদন খরচও পাওয়া যাচ্ছে না। দূরে হওয়ায় ব্যবসায়ীরা যান না। লকডাউন শেষে দাম পাওয়ার আশায় রয়েছেন তিনি।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপপরিচালক কে এম নাজমুল হক বলেন, তোয়ো ম্রো জেলায় ড্রাগন চাষের পথিকৃৎ। তবে এখন প্রতিবছর চাষ বাড়ছে। ২ বছর আগেও ৪০-৪৫ একর জমিতে চাষ হতো। বর্তমানে বান্দরবান সদর উপজেলা ছাড়াও নাইক্ষ্যংছড়ি, থানচি ও লামা উপজেলায় সোয়া ১০০ একর জমিতে প্রায় ৫৮০ টন ড্রাগন উৎপাদিত হয়ে থাকে। তিনি বলেন, বাজারে ড্রাগনের চাহিদা থাকলেও করোনা পরিস্থিতিতে ভোক্তাদের কাছে পৌঁছানো যাচ্ছে না। এ জন্য বাগানিরা দাম পাচ্ছেন না। তিনি বলেন, তোয়ো ম্রোর যোগাযোগ ভালো থাকায় বিক্রি করতে পারছেন। অনেকে বিক্রিও করতে পারেননি। তবে লকডাউন প্রত্যাহার হলে দাম পাওয়া যাবে।

প্রথম আলোসূত্র

এগ্রোবিজ

সম্পর্কিত খবর

ফসল

ইংল্যান্ডে যবের ফলন ১৪ বছরে সর্বনিম্ন, গম সামান্য বেশি

যুক্তরাজ্যের কৃষি মন্ত্রণালয় ডেফরার প্রাথমিক হিসাবে ইংল্যান্ডে যব উৎপাদন ১১ শতাংশ কমে ৩৭ লাখ টন হয়েছে, গম ০ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ১ কোটি ৮ লাখ টন; গমের তুলনায় পশুখাদ্যের যব বিক্রি হচ্ছে অনেক কম দামে।

Farmers Weekly১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

নিজস্ব কারখানা ছেড়ে চুক্তিভিত্তিক ও যৌথ কারখানায় ঝুঁকছে উদ্ভিজ্জ মাংস

চাহিদা অনিশ্চিত থাকায় উদ্ভিজ্জ মাংসের ব্র্যান্ডগুলো নিজস্ব কারখানার বদলে চুক্তিভিত্তিক উৎপাদন, যৌথ অবকাঠামো ও মাংস প্রক্রিয়াকরণের পুরোনো যন্ত্রপাতির দিকে ঝুঁকছে বলে জানিয়েছেন শিল্পসংশ্লিষ্টরা।

FoodNavigator১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোবিজ

সারের দাম দেখার প্ল্যাটফর্ম ক্লিয়ারকস্টে বিনিয়োগ, সালফার সংকটে কমছে ফসফরাস

কৃষকদের সারের দাম ও চালান দেখার এবং সরবরাহ চুক্তির সুযোগ দেওয়া কানাডার স্টার্টআপ ক্লিয়ারকস্ট সিরিজ এ তহবিল পেয়েছে; ২০২৭ সালের শুরুতে উত্তর আমেরিকাজুড়ে নতুন প্ল্যাটফর্ম চালু করবে তারা।

AgNavigator১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)