সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৪%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

শিশুর খাবারে রাখতে পারেন রঙিন শাকসবজি-ফলমূল

মানুষের পাঁচটি মৌলিক চাহিদার মধ্যে প্রথম বা প্রধান হলো খাদ্য। মানুষ খাদ্য গ্রহণ না করলে বাঁচা সম্ভব নয়। বয়সভেদে মানুষের খাবারের চাহিদা একেক রকম। যেমন শিশু এবং প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিদের খাবার এক নয়। রুচি বা পছন্দও এক নয়। নবজাতকরা শুধু মায়ের দুধ পান করে। তারপর একটু বড় হলে মায়ের দুধের পাশাপাশি ভাত-মাছসহ,

মানুষের পাঁচটি মৌলিক চাহিদার মধ্যে প্রথম বা প্রধান হলো খাদ্য। মানুষ খাদ্য গ্রহণ না করলে বাঁচা সম্ভব নয়। বয়সভেদে মানুষের খাবারের চাহিদা একেক রকম। যেমন শিশু এবং প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিদের খাবার এক নয়। রুচি বা পছন্দও এক নয়। নবজাতকরা শুধু মায়ের দুধ পান করে। তারপর একটু বড় হলে মায়ের দুধের পাশাপাশি ভাত-মাছসহ, ডিম এবং রঙিন ফল যেমন কলা, পেঁপে, আম এসব খাবারও দিতে হয়।

শিশুদের শুধু জন্মের পর রঙিন শাকসবজি ও ফলমূল খাওয়ালে চলবে না। খাওয়াতে হবে শিশু জন্মের আগে গর্ভবতী মাকেও। গর্ভবতী বা প্রসূতি মায়েদের রঙিন শাকসবজি ও ফলমূল একটু বেশি পরিমাণেই খেতে হয়। যেমন লালশাক, কচুশাক, পুঁইশাক, লাউশাক, পালংশাক, আম, কলা, পেঁপে, গাজর, বেদানা, মিষ্টি কুমড়া, করলা, চিচিঙা, বরবটি ইত্যাদি। শাকের মধ্যে অন্যতম লালশাক। কেননা এই শাকে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ অন্যান্য শাকের চেয়ে তুলনামূলক বেশি।

প্রতিদিন বিভিন্ন রঙের শাকসবজি ও ফলমূল খাওয়ার অভ্যাস শিশুর পুষ্টির ঘাটতি কমাতে সহায়তা করে

শিশুর সুস্থ শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সুষম খাদ্যের কোনো বিকল্প নেই। কিছু খাবার আছে যেগুলো খেলে প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ইত্যাদির ঘাটতি পূরণ হয় অথচ বর্তমানে অনেক শিশুই ফাস্টফুড, কোমল পানীয় ও অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবারের প্রতি বেশি আগ্রহী হয়ে উঠছে। এর ফলে প্রয়োজনীয় ভিটামিন, খনিজ ও আঁশ থেকে তারা বঞ্চিত হচ্ছে। তাই শিশুর প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রঙিন শাকসবজি ও ফলমূল রাখার অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত।

রঙিন শাকসবজি ও ফলমূল শুধু খাবারের সৌন্দর্যই বাড়ায় না, এগুলো বিভিন্ন ধরনের পুষ্টি উপাদানেরও গুরুত্বপূর্ণ উৎস। সবুজ শাক, লাল টমেটো, কমলা গাজর, বেগুনি বাঁধাকপি, হলুদ কুমড়া কিংবা নানা রঙের ফল প্রতিটি রংই ভিন্ন ভিন্ন পুষ্টিগুণের বার্তা বহন করে। এসব খাবারে থাকা ভিটামিন এ, সি, ই, ফোলেট বা ভিটামিন বি৯, পটাশিয়াম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শিশুর রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে এবং সুস্থ বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সাহায্য করে।

সবুজ শাকসবজিতে রয়েছে আয়রন, ক্যালসিয়াম ও ফলিক অ্যাসিড, যা রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধ এবং হাড় মজবুত রাখতে সহায়ক। গাজর, কুমড়া ও পেঁপের মতো কমলা রঙের খাবারে থাকা বিটা-ক্যারোটিন চোখের দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অন্যদিকে তরমুজ, টমেটো ও লাল ক্যাপসিকামে থাকা লাইকোপিন শরীরের কোষকে সুরক্ষা দেয়। বেগুনি বা নীলচে ফলমূল, যেমন আঙুর বা জামে থাকা অ্যান্থোসায়ানিন মস্তিষ্কের বিকাশে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে সাহায্য করে।

শিশুকে জোর করে খাবার খাওয়ানোর পরিবর্তে খাবারকে আকর্ষণীয় করে পরিবেশন করা যেতে পারে। বিভিন্ন রঙের ফল ও সবজি দিয়ে প্লেট সাজানো, মজার আকৃতিতে কেটে পরিবেশন করা কিংবা স্যুপ, সালাদ, স্যান্ডউইচ বা স্মুদিতে যুক্ত করলে শিশু সহজেই এসব খাবারের প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠে।

দেশে সব ঋতুতেই ভিটামিন সমৃদ্ধ রঙিন শাকসবজি ও ফলমূল পাওয়া যায়

পরিবারের অন্য সদস্যরাও নিয়মিত ফল ও শাকসবজি খেলে শিশুর মধ্যে ইতিবাচক অভ্যাস গড়ে ওঠে। তবে শুধু রঙিন হলেই হবে না, খাবারের নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। ফল ও শাকসবজি ভালোভাবে ধুয়ে পরিষ্কার করে পরিবেশন করতে হবে। ফল নষ্ট কিংবা পোকায় ধরা নাকি সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। শিশুর খাবারের জন্য মৌসুমি ও তাজা ফলমূল বেছে নেওয়া উচিত। অতিরিক্ত চিনি, লবণ বা কৃত্রিম রং মেশানো খাবারের পরিবর্তে প্রাকৃতিক খাবারই শিশুর জন্য সবচেয়ে বেশি উপকারী।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, প্রতিদিন বিভিন্ন রঙের শাকসবজি ও ফলমূল খাওয়ার অভ্যাস শিশুর পুষ্টির ঘাটতি কমাতে এবং দীর্ঘমেয়াদে নানা রোগের ঝুঁকি হ্রাস করতে সহায়তা করে। আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যত। তাই শিশুর খাদ্যতালিকায় যত বেশি প্রাকৃতিক রঙের সমাহার থাকবে, তার সুস্থ ও প্রাণবন্তভাবে বেড়ে ওঠার সম্ভাবনাও তত বেশি হবে।

আমাদের দেশে সব ঋতুতেই ভিটামিন সমৃদ্ধ রঙিন শাকসবজি ও ফলমূল পাওয়া যায়। কিছু দেশি ফল আছে, যা বিদেশি দামি ফলের চেয়ে বেশি উপকারী। রঙিন পুষ্টিকর শাকসবজি ও ফলমূল শুধু শিশুর খাবারের বৈচিত্র্যই বাড়ায় না, বরং একটি সুস্থ, সবল ও কর্মক্ষম ভবিষ্যৎ গড়ার অন্যতম ভিত্তিও তৈরি করে। তাই আজ থেকেই শিশুর প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় থাকুক রঙিন শাকসবজি ও ফলমূল।

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

কেরালার উপকূলীয় নারীদের ৮৪টি মাছের ব্যবসা, পারিবারিক আয় বেড়েছে ৩০-৩৫ শতাংশ

আইসিএআর-সিএমএফআরআইয়ের এক কর্মসূচির সহায়তায় ২০২২ থেকে ২০২৬ সালে কেরালার আট জেলায় ৮৪টি মৎস্যভিত্তিক ক্ষুদ্র উদ্যোগ গড়ে উঠেছে; সরাসরি উপকৃত ৪৬৯ জন, যাঁদের বেশির ভাগ তফসিলি জাতিভুক্ত।

আইসিএআর১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মৎস্য

সৌরশক্তির রিসার্কুলেটিং ট্যাংকে পাহাড়ে ট্রাউট চাষ, পানি লাগবে ৮০ শতাংশ কম

ভারতের উত্তরাখণ্ডের এক খামারে সৌরশক্তিচালিত হাইব্রিড রিসার্কুলেটিং অ্যাকুয়াকালচার সিস্টেম চালু করেছে আইসিএআর-সিআইসিএফআর; প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এতে পানি প্রায় ৮০ শতাংশ কম লাগে এবং একজন ট্রাউটচাষি বছরে ৪ থেকে ৫ লাখ রুপি উদ্বৃত্ত পেতে পারেন।

আইসিএআর১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মৎস্য

আট পদের পাঁচটিই শূন্য, তিনজনে চলছে শায়েস্তাগঞ্জের সরকারি মৎস্য বীজ খামার

১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ সরকারি মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারে ১২টি পুকুরে পোনা উৎপাদন চললেও আট পদের পাঁচটি শূন্য, নৈশপ্রহরী নেই, বরাদ্দ না থাকায় চাষি প্রশিক্ষণও বন্ধ।

মানবজমিন১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)