সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

মতামত: নিউইয়র্কের জলবায়ু আলোচনা আর বাংলাদেশের ক্ষতির দাম কে দেবে

প্রথম আলোর সাংবাদিক মোছাব্বের হোসেন নিউইয়র্কে জলবায়ু অর্থনীতি নিয়ে এক ফেলোশিপের অভিজ্ঞতা থেকে লিখেছেন, দুর্যোগের দৃশ্যমান ক্ষতির আড়ালে থাকা অর্থ, বীমা ও বিনিয়োগের প্রশ্নই বাংলাদেশের জন্য আসল প্রশ্ন।

মতামত: নিউইয়র্কের জলবায়ু আলোচনা আর বাংলাদেশের ক্ষতির দাম কে দেবে
মতামত

জলবায়ু পরিবর্তন বললে সাধারণত প্লাবিত জনপদ, জ্বলন্ত বন বা দাবদাহের ছবি চোখে ভাসে। কিন্তু প্রথম আলোর মতামত পাতায় সাংবাদিক মোছাব্বের হোসেন লিখেছেন, এসব ক্ষতির আড়ালে আরেকটি গল্প আছে: অর্থ, বীমা, বিনিয়োগ, ব্যবসা, আর শেষ পর্যন্ত এই ক্ষতির দাম কে দিচ্ছে।

নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটির স্টার্ন স্কুল অব বিজনেসে দুই দিনের '২০২৬ এনওয়াইইউ স্টার্ন ক্লাইমেট ইকোনমিকস জার্নালিজম ফেলোশিপে' তিনি অংশ নেন ইনসাইড ক্লাইমেট নিউজের একজন ফেলো হিসেবে, বিভিন্ন দেশের আরও ৩৫ জন সাংবাদিকের সঙ্গে। আলোচনার কেন্দ্রে ছিল জলবায়ু পরিবর্তনের অর্থনীতি: জলবায়ু অর্থায়ন, বীমা, জ্বালানি এবং জীববৈচিত্র্য হারানোর আর্থিক প্রভাব।

সময়টিও ছিল বিশেষ। জাতিসংঘ সদর দপ্তরে তখন সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের উচ্চপর্যায়ের পর্ব চলছিল, আর ২০ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর শহরজুড়ে জলবায়ু সপ্তাহে দেড় হাজারের বেশি সরকারি-বেসরকারি অনুষ্ঠান হয়। ২৩ সেপ্টেম্বর মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের উদ্যোগে জলবায়ু কার্যক্রম ও ন্যায্য রূপান্তর নিয়ে উচ্চপর্যায়ের সম্মেলন এবং পরদিন সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ঝুঁকি নিয়ে আরেকটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়।

লেখক যুক্তরাষ্ট্রে দাবানল নিয়ে প্রতিবেদন করার অভিজ্ঞতা টেনে প্রশ্ন তুলেছেন, আগুন নিভে যাওয়ার পর পুড়ে যাওয়া বাড়ি আবার তৈরির টাকা কে দেবে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মানুষ ভবিষ্যতে বীমা করতে পারবে কি না, বীমার খরচ কতটা বাড়বে, স্থানীয় ছোট ব্যবসা কীভাবে ঘুরে দাঁড়াবে।

তাঁর মতে, বাংলাদেশের জন্য আসল প্রশ্ন হলো এসব বৈঠক থেকে শেষ পর্যন্ত কী আসে। অভিযোজনের অর্থায়ন, জলবায়ুজনিত ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় সহায়তা, পরিচ্ছন্ন জ্বালানিতে বিনিয়োগ ও নতুন প্রযুক্তির সুযোগ বাংলাদেশের মতো জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

লেখাটিতে প্রকাশিত মত লেখকের নিজস্ব।

ছবি: Neptuul / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)

সূত্র: প্রথম আলো

প্রথম আলোসূত্র

মতামত

সম্পর্কিত খবর

মতামত

মতামত: চীনা বালাইনাশক কোম্পানি মার্কিন কৃষকের দোরগোড়ায়, বিক্রেতারা কী করবেন

ক্রপলাইফে লেখা এক কলামে হুয়া চেং ও ডেভিড লি বলছেন, চীনা ফসল সুরক্ষা কোম্পানিগুলো মার্কিন কৃষকের কাছে পৌঁছানোর নতুন পথ পাচ্ছে, তবে স্থানীয় বিক্রেতাদের এমন কিছু শক্তি আছে যা কনটেইনারে করে পাঠানো যায় না।

ক্রপলাইফ১৫ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মতামত

শীতে শিশুর রোটাভাইরাস ঝুঁকি, টিকা আছে, তবু সরকারি কর্মসূচিতে নেই: ফারিয়া এজাজের কলাম

আজকের পত্রিকায় ফারিয়া এজাজ লিখেছেন, আইসিডিডিআরবির হিসাবে দেশে বছরে আড়াই থেকে ৩ হাজার শিশু রোটাভাইরাসে মারা যায়; ১৩২টি দেশ টিকাটি জাতীয় কর্মসূচিতে নিলেও বাংলাদেশে এক ডোজের দাম ২,৯৯৩ টাকা, সরকারিভাবে দেওয়া হয় না।

আজকের পত্রিকা১৪ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মতামত

নিঃসরণ ০.০৫ শতাংশ, ক্ষতি পাহাড়সম: নেপালের শিক্ষায় অনুদানভিত্তিক জলবায়ু অর্থায়ন চান রাকিব হোসেন

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির পিএইচডি গবেষক রাকিব হোসেন লিখেছেন, বিশ্বের কার্বন নিঃসরণে মাত্র ০.০৫ শতাংশ অবদানের নেপাল যেমন বারবার দুর্যোগের দাম দিচ্ছে, বাংলাদেশও তেমনি; তাই ঋণ নয়, অনুদানভিত্তিক জলবায়ু অর্থায়ন দরকার।

ঢাকা পোস্ট১৪ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)