সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৪%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

নিষেধাজ্ঞা শেষ মধ্যরাতে, সকালেই বিপুল ইলিশ নিয়ে হাজির জেলেরা!

ইলিশ ধরায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়েছে। গত ৪ অক্টোবর শুরু হওয়া এই নিষেধাজ্ঞা শেষ হয় ২৫ অক্টোবর রাত ১২টায়। তবে নিষেধাজ্ঞার শেষ হওয়ার পরপরেই রোববার (২৬ অক্টোবর) সকালেই হাজার হাজার ইলিশ নিয়ে পটুয়াখালীর আলীপুর-মহিপুর ঘাটে হাজির হয়েছেন জেলেরা। তবে বরফকল বন্ধ থাকায় বেশিরভাগ ট্রলারের ইলিশ পচে গেছে।

ইলিশ ধরায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়েছে। গত ৪ অক্টোবর শুরু হওয়া এই নিষেধাজ্ঞা শেষ হয় ২৫ অক্টোবর রাত ১২টায়। তবে নিষেধাজ্ঞার শেষ হওয়ার পরপরেই রোববার (২৬ অক্টোবর) সকালেই হাজার হাজার ইলিশ নিয়ে পটুয়াখালীর আলীপুর-মহিপুর ঘাটে হাজির হয়েছেন জেলেরা। তবে বরফকল বন্ধ থাকায় বেশিরভাগ ট্রলারের ইলিশ পচে গেছে।

দিনভর এমনচিত্র দেখা যায় দেশের অন্যতম এই মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে।

জানা গেছে, পটুয়াখালীর সবচেয়ে বড় মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র আলীপুর-মহিপুর ঘাট। ইলিশ বোঝাই ট্রলারগুলো এ ঘাটেই নোঙ্গর করে। বেশিরভাগ ট্রলার ভোলা, বাশখালী, পাথরঘাটা থেকে আসে।

সকাল থেকে আলীপুর মহিপুরের আড়তগুলোতে ঘুরে দেখা যায়, প্রতিটি আড়তে ইলিশ বিক্রি হচ্ছে। যার ওজন ৩০০ গ্রাম থেকে ৭০০ গ্রাম। আবার ১ কেজি ওজনের ইলিশও রয়েছে তবে পরিমাণে কম। ইলিশগুলো ট্রলার থেকে লেবাররা আড়তে স্তুপ করে রেখেছে তবে বেশিরভাগ মাছ পচা গেছে। আগের তুলনায় এবারের ইলিশগুলো লালচে আর পচে যাওয়ায় দামও পাচ্ছে না জেলেরা।

জেলেরা জানায়, পর্যাপ্ত বরফ না থাকায় অনেক ইলিশ পচে গেছে।

আড়তদাররা জানায়, নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর মোহনাগুলোতে জাল ফেলেই মাছের দেখা পাচ্ছে জেলেরা। তবে বর্তমানে যে মাছগুলো আড়তে বিক্রি হচ্ছে তা গত ৫ থেকে ৭ দিন আগে ধরা পড়েছে।

ভোলা থেকে মাছ বিক্রি করতে আসা এফবি আব্দুল্লাহ ট্রলারের জেলে আ. মন্নান জানায়, আমরা গত ১০দিন আগে সমুদ্রে মাছ ধরতে যাই। প্রথম দুইবার জাল ফেলে মাছ পাইনি। তবে গত ৪দিন আগে একবার জাল ফেলে মাছ পেয়েছি। আজকে মাছ বিক্রি করেছি ১২ হাজার পিস। এখানে যে ট্রলার রয়েছে সবাই মাছ নিয়ে ঘাটে ফিরেছে। কেউ ৫ হাজার, কেউ ১০ হাজার আবার কেউ ১২ হাজার পিস পর্যন্ত মাছ পেয়েছে।

নিষেধাজ্ঞাকালীন কীভাবে সাগরে নামলেন এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, অনেক কষ্টে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাগরে গেছি। সরকার যে চাল দেয় তা আমরা সঠিকভাবে পাই না। তাই আমরা চুরি করে সমুদ্রে নেমেছি। পুলিশ দেখলে জেলে পাঠাতো। শনিবার রাত ৩টায় আলীপুর বন্দরের পৌঁছেছি। অবরোধ শেষ হবে ১২টা বাজলে ঘাটে আসবো সেই অপেক্ষায় ছিলাম। আড়তদার আমাদের বলেছে- তোমরা সাগরে যাও আমরা দেখবো।

বরগুনার পাথরঘাটা থেকে আসা এফবি রহমত ট্রলারের জেলে মিনহাজ বলেন, আমরা গত চারদিন আগে সমুদ্রে গিয়েছিলাম। গতরাতে ১২টার পরে আলীপুরে আসছি। মাছ বিক্রি করেছি একদিন পরে সমুদ্রে আবার মাছ শিকারে যাবো।

আলীপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের ব্যবসায়ী ভাই ভাই ফিশের পরিচালক মো. মিজানুর রহমান বলেন, রাত ১২টার পরে অনেক জেলেরা সমুদ্রে নেমেছে। গভীর সমুদ্রের জেলেরা আরও দুই/তিন দিন পর ফিরবেন। তবে মোহনা এবং উপকূলে যারা জাল ফেলেছে তারা সবাই মাছ নিয়ে ঘাটে এসেছে।

কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, সমুদ্রে কী পরিমাণ মাছ বেড়েছে তা আরও দুই-তিন দিন পরে বলতে পারব। আলীপুর-মহিপুর বন্দরের জেলেরা সঠিকভাবে নিষেধাজ্ঞা পালন করেছে।

তবে নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার পরপরই মাছ বিক্রি শুরু হয়েছে। জেলেরা অবরোধকালীন সময়ে কীভাবে মাছ শিকার করল এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আলিপুর-মহিপুর দেশের অন্যতম বড় মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র। এখানে সারা দেশ থেকে ট্রলার আসে মাছ বিক্রি করতে। তবে এই ট্রলার কিভাবে নিষেধাজ্ঞার মধ্যে সমুদ্রে নামলো, কোথার থেকে মাছ নিয়ে কিভাবে আসলো এ বিষয় আমার জানা নেই।

আসাদুজ্জামান মিরাজ/এনএইচআর/জিকেএস

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

কেরালার উপকূলীয় নারীদের ৮৪টি মাছের ব্যবসা, পারিবারিক আয় বেড়েছে ৩০-৩৫ শতাংশ

আইসিএআর-সিএমএফআরআইয়ের এক কর্মসূচির সহায়তায় ২০২২ থেকে ২০২৬ সালে কেরালার আট জেলায় ৮৪টি মৎস্যভিত্তিক ক্ষুদ্র উদ্যোগ গড়ে উঠেছে; সরাসরি উপকৃত ৪৬৯ জন, যাঁদের বেশির ভাগ তফসিলি জাতিভুক্ত।

আইসিএআর১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মৎস্য

সৌরশক্তির রিসার্কুলেটিং ট্যাংকে পাহাড়ে ট্রাউট চাষ, পানি লাগবে ৮০ শতাংশ কম

ভারতের উত্তরাখণ্ডের এক খামারে সৌরশক্তিচালিত হাইব্রিড রিসার্কুলেটিং অ্যাকুয়াকালচার সিস্টেম চালু করেছে আইসিএআর-সিআইসিএফআর; প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এতে পানি প্রায় ৮০ শতাংশ কম লাগে এবং একজন ট্রাউটচাষি বছরে ৪ থেকে ৫ লাখ রুপি উদ্বৃত্ত পেতে পারেন।

আইসিএআর১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মৎস্য

আট পদের পাঁচটিই শূন্য, তিনজনে চলছে শায়েস্তাগঞ্জের সরকারি মৎস্য বীজ খামার

১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ সরকারি মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারে ১২টি পুকুরে পোনা উৎপাদন চললেও আট পদের পাঁচটি শূন্য, নৈশপ্রহরী নেই, বরাদ্দ না থাকায় চাষি প্রশিক্ষণও বন্ধ।

মানবজমিন১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)