সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৪%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

বান্দরবানে আবাদ হচ্ছে ম্যাক্সিকোর বিখ্যাত ফল অ্যাভোকাডো

পাহাড়ি জেলা বান্দরবানে নতুন সম্ভাবনার বার্তা নিয়ে বাণিজ্যিকভাবে আবাদ শুরু হয়েছে ম্যাক্সিকো ও মধ্য আমেরিকার বিখ্যাত ফল অ্যাভোকাডোর। পুষ্টিগুণে ভরপুর ও আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যাপক চাহিদাসম্পন্ন এই ফল চাষে সফলতা পাওয়ায় জেলার কৃষক ও উদ্যোক্তাদের মধ্যে আগ্রহ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

পাহাড়ি জেলা বান্দরবানে নতুন সম্ভাবনার বার্তা নিয়ে বাণিজ্যিকভাবে আবাদ শুরু হয়েছে ম্যাক্সিকো ও মধ্য আমেরিকার বিখ্যাত ফল অ্যাভোকাডোর। পুষ্টিগুণে ভরপুর ও আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যাপক চাহিদাসম্পন্ন এই ফল চাষে সফলতা পাওয়ায় জেলার কৃষক ও উদ্যোক্তাদের মধ্যে আগ্রহ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এই অঞ্চলের অনুকূল আবহাওয়া, উঁচু-নিচু ভূমি ও পানি নিষ্কাশনের সুবিধা অ্যাভোকাডো চাষের জন্য উপযোগী হওয়ায় এ ফলকে বান্দরবানের কৃষিতে একটি নতুন সম্ভাবনাময় সংযোজন হিসেবে দেখছেন অনেকেই।

জানা গেছে, অ্যাভোকাডো ফল বিশ্বজুড়ে সুপারফুড হিসেবে পরিচিত। এতে রয়েছে স্বাস্থ্যসম্মত অসম্পৃক্ত চর্বি, ফাইবার, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ভিটামিন-সি, ভিটামিন-ই এবং বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। হৃদরোগের ঝুঁকি কমানো, কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ, ওজন ব্যবস্থাপনা এবং ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্য রক্ষায় অ্যাভোকাডোর উপকারিতা নিয়ে পুষ্টিবিদদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা রয়েছে। ফলে দেশে স্বাস্থ্যসচেতন মানুষের কাছে এর জনপ্রিয়তা দ্রুত বাড়ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মেক্সিকো ও মধ্য আমেরিকা অঞ্চলের এই ফল বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ব্যাপকভাবে চাষ হচ্ছে। বাংলাদেশে এখনও সীমিত পরিসরে এর চাষ হলেও বান্দরবানে কয়েকজন কৃষক ও উদ্যোক্তা পরীক্ষামূলকভাবে গাছ রোপণ করে ইতিবাচক ফলাফল পাচ্ছেন। সেই সফলতার ধারাবাহিকতায় এখন বাণিজ্যিকভাবে অ্যাভোকাডো বাগান গড়ে তোলার উদ্যোগ নিচ্ছেন অনেকেই।

জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ইতোমধ্যে অনেকেই অ্যাভোকাডো গাছ রোপণ করেছেন। কিছু বাগানের গাছে ফল ধরতে শুরু করেছে এবং স্থানীয় বাজারেও সীমিত পরিসরে বিক্রি হচ্ছে। দেশের বড় হোটেল রেস্তোরাঁ ও শপিং মলে অ্যাভোকাডোর চাহিদা বাড়তে থাকায় কৃষকরা এটিকে লাভজনক ফল হিসেবে বিবেচনা করছেন।

অন্যান্য প্রচলিত ফলের তুলনায় অ্যাভোকাডোর বাজারমূল্য অনেক বেশি। একটি পরিপক্ব গাছ থেকে বছরে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ফল পাওয়া যায়। বাজারজাতকরণ ব্যবস্থা উন্নত হলে এবং মানসম্মত চারা সহজলভ্য হলে এ ফল চাষ থেকে ভালো মুনাফা অর্জন সম্ভব হবে বলে জানান তারা।

রোয়াংছড়ি বেতছড়া এলাকার বাসিন্দা রোমিও মারমা বলেন, গত ৪ বছর আগে ঢাকার আগারগাঁও বৃক্ষ মেলা থেকে শখ করে ৭শ' টাকা দরে ১২টি আ্যভোকাডো গাছের চারা এনে রোপণ করেছিলাম। যেখানে ৭টি গাছেই ফলন এসেছে। এমনকি একটি গাছেই ১৫-২০ কেজি ফলন যাওয়া যাবে। এছাড়া এবছর আরও ১০০ অ্যাভোকাডো গাছের চারা লাগিয়েছি।

দীপ্ত এগ্রোর মালিক ইফতেখার সেলিম অগ্নি জানান, বান্দরবানের নাইক্ষ্যাংছড়ি উপজেলার জারুলিয়া এলাকায় ১০০ একর জমিতে মালটা-কমলা, ১২ মাসি সজনে, কাজুবাদাম ও চুইঝালসহ নানা ফলের আবাদ করেছেন। ৪ বছর আগে একই সঙ্গে এক হাজার ইন্ডিয়ান অ্যাভাকাডো গাছের চারা রোপণ করেন তিনি। যার মধ্যে চলতি বছর প্রায় ২শ' এর অধিক গাছে আশানুরূপ ফলন এসেছে। যা আগামী ২ মাস পর হারভেস্ট করার উপযোগী হবে। তবে ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন উচ্চমানের হোটেল-রেস্তোরাঁ ও সুপারমলসহ অনেক আগ্রহী ক্রেতারা কেনার জন্য যোগাযোগ শুরু করেছেন বলে জানান তিনি।

বান্দরবান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এক সময় জেলার অধিকাংশ কৃষকরা শুধুমাত্র জুম চাষের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও বর্তমানে ড্রাগন, মাল্টা, কমলা, কফি, বিদেশি বিভিন্ন জাতের আম, রামভুটান, অ্যাভোকাডোসহ বিভিন্ন দেশী-বিদেশি উচ্চ মূল্যের ফল চাষে আগ্রহ বাড়ছে। এতে এই অঞ্চলটি এখন ধীরে ধীরে আধুনিক কৃষি ব্যবস্থার যুগে যুক্ত হচ্ছে।

বান্দরবান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মিশুক মারমা বলেন, মাটি ও আবহাওয়া কৃষিজ আবাদের অনুকূলে হওয়ায় জেলায় অগতানুগতিক ফসলের পাশাপাশি উচ্চ মূল্য বা বিদেশি ফসলের আবাদ হচ্ছে এখন। অ্যাভোকাডো ফলের আবাদ এখন পর্যন্ত ব্যাপক আকারে না হওয়ায় এই ফসলটিকে অন্যান্য ৫ শতাংশের মধ্যে রাখা হয়েছে। তবে প্রয়োজনে চাষিদের যেকোন প্রকার পরামর্শ সহযোগিতা দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

নয়ন চক্রবর্তী/এনএইচআর/জেআইএম

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি চারটি তাজা আপেলের একটি যায় বিদেশে, রপ্তানি আয় রেকর্ড

২০২৫/২৬ বিপণন বছরে যুক্তরাষ্ট্র ১৮৭ কোটি পাউন্ড তাজা আপেল রপ্তানি করেছে, যা মোট তাজা উৎপাদনের প্রায় ২৬ শতাংশ। রপ্তানি আয় রেকর্ড ১১৬ কোটি ডলারে পৌঁছেছে; বড় ক্রেতা মেক্সিকো ও কানাডা।

ers_usda১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

রাজবাড়ীর বাজিতপুরে দুই একরে চার হাজার ড্রাগন গাছ, দিনে উঠছে ৫০ মণ ফল

রাজবাড়ী সদরের বসন্তপুর ইউনিয়নের বাজিতপুরে জেলার সবচেয়ে বড় ড্রাগন বাগানে গাছপ্রতি ১০-১২ কেজি ফল ধরেছে; ভরা মৌসুমে দিনে প্রায় দুই হাজার কেজি ফল উঠছে, পাইকারি দর কেজি ১৫০ টাকা।

ঢাকা মেইল১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

আপেলগাছের গোড়ায় লালচে গুঁড়া? সতর্ক করছে বিরল কাণ্ড ছিদ্রকারী পোকা

কানাডার ম্যানিটোবার কৃষি বিভাগ ফলচাষিদের রাউন্ডহেডেড অ্যাপল ট্রি বোরার নিয়ে সতর্ক থাকতে বলছে। এই লম্বা-শুঙ্গ গুবরে পোকার কীড়া জীবন্ত আপেল ও সাস্কাটুন গাছের ভেতরে তিন বছর পর্যন্ত সুড়ঙ্গ কাটে; কাণ্ডের গোড়ায় লালচে গুঁড়াই সবচেয়ে স্পষ্ট লক্ষণ।

Manitoba Co-operator১৫ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)