সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৪%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

বিরল ঘটনা, সাগর থেকে কক্সবাজার সৈকতে উঠে এলো তিমি

করোনাভাইরাস সঙ্কটের কারণে মানুষের বিচরণ কমে গেছে সর্বত্র। সাগরে বড় জাহাজ ও নৌকা চলাচল বন্ধ। সেই সঙ্গে কমেছে মাছ ধরা ট্রলারের চলাচল। এমন সুযোগে বঙ্গোপসাগর দাপিয়ে বেড়াচ্ছে বিভিন্ন সামুদ্রিক প্রাণি। কিছুদিন আগে কক্সবাজার সৈকতে দেখা গেছে বিরল প্রজাতির ডলফিনের খেলা। এবার পর্যটকশূন্য কক্সবাজার সৈকতে দেখা

করোনাভাইরাস সঙ্কটের কারণে মানুষের বিচরণ কমে গেছে সর্বত্র। সাগরে বড় জাহাজ ও নৌকা চলাচল বন্ধ। সেই সঙ্গে কমেছে মাছ ধরা ট্রলারের চলাচল। এমন সুযোগে বঙ্গোপসাগর দাপিয়ে বেড়াচ্ছে বিভিন্ন সামুদ্রিক প্রাণি। কিছুদিন আগে কক্সবাজার সৈকতে দেখা গেছে বিরল প্রজাতির ডলফিনের খেলা। এবার পর্যটকশূন্য কক্সবাজার সৈকতে দেখা গেল তিমি।

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বড়ডেইল এলাকার বেড়িবাঁধ সংলগ্ন মারিশ বুনিয়ায় দেখা গেছে, ছোট আকারের একটি তিমি। ব্রিডস হোয়েল প্রজাতির এই তিমি খেলতে খেলতে সমুদ্র সৈকতে এসে আটকা পড়ে। এটিকে স্থানীয়রা অচেনা প্রজাতির ডলফিন ভেবে সাগরে ফিরিয়ে দেয়।

২০ জুন গভীর সাগর থেকে সমুদ্র সৈকতে উঠে আসে এই তিমি। প্রথমে সবার ধারণা ছিল ডলফিন বা বিরল প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ। ভিডিও দেখে রোববার (২১ জুন) জাগো নিউজকে প্রাণি বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, এটি ব্রিডস হোয়েল তিমি।

সেভ দ্য ন্যাচার অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আ ন ম মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ১৪ জুন টেকনাফ সৈকতে এই তিমি দেখে ডলফিন ভেবে আমাকে ফোন করে জানান আমাদের সংগঠনের টেকনাফ উপজেলা সাধারণ সম্পাদক জালাল উদ্দীন চৌধুরী। কিন্তু ধারণকৃত ভিডিও রোববার সংগ্রহ করে পাখা এবং পেট দেখে আমরা নিশ্চিত হই এটি ডলফিন নয়; ব্রিডস হোয়েল তিমি। তার পাখা, লাল পেট ও মাথার পাশ দিয়ে শ্বাস ফেলার ভিডিওটি প্রাণী বিশেষজ্ঞদের দেখানো হয়। তারা আমাদের নিশ্চিত করেছেন এটি সামুদ্রিক তিমি। যাকে ব্রিডস হোয়েল বলা হয়।

তিনি বলেন, তবে এটি বাচ্চা তিমি। সাগরের কিনারে বাচ্চা তিমির উপস্থিতি বলে দেয় মা তিমি আশেপাশেই রয়েছে। এজন্য সাগরে থাকা সবার সতর্ক হওয়া উচিত।

পরিবেশ সাংবাদিক হোসেন সোহেল বলেন, আমি বেশ কয়েকবার বঙ্গোপসাগরের সোয়াস অব নো গ্রাউন্ডে গেছি সংবাদের প্রয়োজনে। সবশেষ দুই বছর আগে একটি তিমি পরিবার দেখেছি সেখানে। সেখানে দেখে আসা তিমির সঙ্গে টেকনাফ উপকূলে আসা তিমির মিল রয়েছে। যদিও সোয়াস অব নো গ্রাউন্ড টেকনাফ থেকে দূরে। হয়তো খেলতে খেলতে চলে এসেছে এই তিমি।

ওয়ার্ল্ড লাইফ কনজারবেশন সোসাইটির সাবেক মেরিন প্রোগ্রাম ম্যানেজার সুপ্রিয় চাকমা জাগো নিউজকে বলেন, এটি তিমি। টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিন অংশের বেল্টে তিমি অবস্থানের রেকর্ড আছে। ২০১৮ সালের সার্ভেতে এখানে তিমি পাওয়ার রেকর্ড আছে। এই তিমির নাম ব্রিডস হোয়েল (Bryde's Whale)। সৈকতে জীবিত তিমি আসার রেকর্ড নেই। তবে এবার সৈকতে আসার রেকর্ড হলো।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক মোস্তফা ফিরোজ জাগো নিউজকে বলেন, ভিডিও দেখে নিশ্চিত হয়েছি এটি তিমি। প্রাপ্তবয়স্ক একটি তিমি প্রায় ৩০-৪০ ফুট লম্বা হয়। টেকনাফের এটি ১০ ফুটের মতো লম্বা হবে।

অধ্যাপক মোস্তফা ফিরোজ বলেন, চলমান করোনা সঙ্কটের কারণে সাগরে জাহাজ, নৌকা ও ট্রলার চলাচল বন্ধ রয়েছে। মানুষের উপস্থিতি না থাকায় তিমিটি সৈকতে চলে আসছে। করোনাকালে আমরা দেখেছি; সব প্রাণি মানুষের অত্যাচার থেকে মুক্ত হয়ে নিজেদের মতো বিচরণ করছে। এর আগে ডলফিন এসেছিল সৈকতে। একটু স্বস্তি পেলে প্রাণিরা যে তাদের মতো চলতে পারে এই তিমির আগমন তারই প্রমাণ।

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

কেরালার উপকূলীয় নারীদের ৮৪টি মাছের ব্যবসা, পারিবারিক আয় বেড়েছে ৩০-৩৫ শতাংশ

আইসিএআর-সিএমএফআরআইয়ের এক কর্মসূচির সহায়তায় ২০২২ থেকে ২০২৬ সালে কেরালার আট জেলায় ৮৪টি মৎস্যভিত্তিক ক্ষুদ্র উদ্যোগ গড়ে উঠেছে; সরাসরি উপকৃত ৪৬৯ জন, যাঁদের বেশির ভাগ তফসিলি জাতিভুক্ত।

আইসিএআর১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মৎস্য

সৌরশক্তির রিসার্কুলেটিং ট্যাংকে পাহাড়ে ট্রাউট চাষ, পানি লাগবে ৮০ শতাংশ কম

ভারতের উত্তরাখণ্ডের এক খামারে সৌরশক্তিচালিত হাইব্রিড রিসার্কুলেটিং অ্যাকুয়াকালচার সিস্টেম চালু করেছে আইসিএআর-সিআইসিএফআর; প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এতে পানি প্রায় ৮০ শতাংশ কম লাগে এবং একজন ট্রাউটচাষি বছরে ৪ থেকে ৫ লাখ রুপি উদ্বৃত্ত পেতে পারেন।

আইসিএআর১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মৎস্য

আট পদের পাঁচটিই শূন্য, তিনজনে চলছে শায়েস্তাগঞ্জের সরকারি মৎস্য বীজ খামার

১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ সরকারি মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারে ১২টি পুকুরে পোনা উৎপাদন চললেও আট পদের পাঁচটি শূন্য, নৈশপ্রহরী নেই, বরাদ্দ না থাকায় চাষি প্রশিক্ষণও বন্ধ।

মানবজমিন১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)